প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের সামনে ছিল অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার সুবর্ণ সুযোগ। ব্যাট হাতে ২৭৫ রানের লক্ষ্য সৃষ্টি করে ব্যাটাররা সেই পরিবেশটি ভালোভাবে তৈরি করে দিয়েছিলেন। বল হাতে শরিফুল ইসলামরাও তাদের প্রচেষ্টা থেকে পিছপা হননি। কিন্তু কুপার কনোলির অসাধারণ সেঞ্চুরির কারণে শ্বাসরুদ্ধকর একটি জয় নিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে আজ (১৪ জুন) বাংলাদেশকে ১ উইকেটে পরাজিত করেছে অস্ট্রেলিয়া।
শুরুতে ব্যাটিং করে মোসাদ্দেক হোসেন, তাওহীদ হৃদয় এবং লিটন দাসের ফিফটিতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান করে বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে কনোলির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ১৪৯ রানের অবদান দিয়ে শেষ ওভারে জয় লাভ করে অস্ট্রেলিয়া।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দুটি উইকেট ৫৩ রানে এবং পরে ৬১ রানে ৩ উইকেটে হারায়। নাজমুল হোসেন শান্ত ২৪ রান এবং তানজিদ হাসান তামিম ১৯ রান করলেও সৌম্য সরকার করেছেন কেবল ২ রান।
চাপ সামলে সেখান থেকে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয়। যারা বাংলাদেশ দলের যে ৩ জন ব্যাটার প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছেন, তারা বুঝতেই দেননি। নিরবচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশের রান একশ পেরিয়ে যায়।
লিটন দলীয় ১৫৩ এবং ব্যক্তিগত ৪৮ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হন। ড্রেসিংরুমে বসেছিলেন তিনি, তখন সৈকত ও হৃদয়ের জুটি চলছিল। হৃদয় ৮৩ রান করে বেন ডারশুইসের ওভারে ক্যাচ দিয়ে আলেক্স ক্যারেকে উইকেট ছেড়ে দেন। ৮৮ বলের ইনিংসে তিনি ৮টি চার মারেন।
শেখ মেহেদী ৩ রানে আউট হলে লিটন আবার মাঠে নামেন। ফেরার পর ৫ বল খেলে মিরপুরের অভিশাপ কাটান। ওয়ানডেতে হোমগ্রাউন্ডে তার কোনো হাফসেঞ্চুরি ছিল না। এদিন তিনি অপরাজিত থাকেন ৭৮ বল খেলে ৫৮ রান করে। ৫১ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে থাকেন সৈকত, যিনি ৫টি চার এবং একটি ছয় মারেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন