প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আধুনিকতার ছোঁয়া ও ইটের কংক্রিতের দালানকোঠার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ বাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর। তবে এর মাঝেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা গ্রামে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন ও ঐতিহ্যবাহী মাটির দোতলা বাড়ি। কালের সাক্ষী হয়ে টিকে থাকা এই বাড়িটি দেখতে এবং এর গ্রামীণ স্থাপত্যশৈলী উপভোগ করতে কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমান।
গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি বলতেই একতলা বা সাধারণ কুঁড়েঘরের কথা মাথায় আসে। কিন্তু দেওপুরা গ্রামের এই বাড়িটি দুই তলা বিশিষ্ট হওয়ায় এটি এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। ঐতিহ্যবাহী এই দোতলা মাটির বাড়ির ছাদ টিনের তৈরি এবং এর দেওয়ালগুলো বেশ চওড়া ও মজবুত মাটি দিয়ে সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে। বাড়ির সামনে মাথা বাড়িয়ে থাকা সবুজ গাছপালা এবং গ্রামীণ মেঠো পথের পাশেই এর অবস্থান বাড়িটির সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় প্রবীণদের মতে, মাটির তৈরি এসব ঘরের মূল বৈশিষ্ট্য হলো—এগুলো গরমে ঠান্ডা এবং শীতে বেশ উষ্ণ থাকে। আধুনিক আধুনিকতার যুগে যেখানে ইট-সিমেন্টের দালানে এসসি বা ফ্যানের বাতাস ছাড়া টেকা দায়, সেখানে এই মাটির ঘরগুলোতে প্রকৃতির সঙ্গেই এক ধরনের আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় থাকে।
আধুনিকতার স্পর্শে ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গ্রামীণ এই অমূল্য সম্পদগুলো আজ বিলুপ্তির পথে। দেওপুরা গ্রামের এই পুরনো ঐতিহ্যবাহী মাটির দোতলা বাড়িটি আমাদের গ্রামীণ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আবহমান বাংলার সোনালী অতীতের স্মৃতি বহন করছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এই ধরনের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যগুলো টিকিয়ে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ ইতিহাস তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন