প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে বেইজিং। গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) কিরগিজস্তানের রিসোর্ট শহর চোলপন-আতায় সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সমর্থনের কথা জানান।
বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির খোঁজ-খবর নেয়া হয়েছে। এরপর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনায় ওয়াং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক ছিল বহুপাক্ষিক মধ্যস্থতার একটি মূল্যবান ফলাফল এবং এটি সংঘাতের অবসান ও দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতার বিষয়ে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে। ওয়াং ওই সমঝোতা স্মারকটি পরিত্যাগ না করার আহ্বানও জানান।
ওয়াং বলেন, আলোচনা অব্যাহত রাখা উচিত এবং সমঝোতা স্মারকে পৌঁছানো ঐকমত্যে ফিরে আসা একটি ‘জরুরি কাজ’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তিনি যোগ করেন, ইরান যাতে তার সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষা করতে পারে, তাতে চীন সমর্থন দেয়। একই সঙ্গে বেইজিং পাকিস্তান ও অন্যান্য পক্ষের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে, সংলাপ ও আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সহায়তা করা এবং হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে কাজ করার কথাও জানান।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, আলোচনার বিষয়ে ইরানের আগ্রহের কোনো পরিবর্তন হয়নি। ফলে, তেহরান চায় না যে সংঘাত অব্যাহত থাকুক। তিনি উল্লেখ করেন, এই সংকটপূর্ণ মুহূর্তে ইরান ও চীনের উচিত যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করা। তিনি আরও যোগ করেন, তেহরান আশা করে উত্তেজনা প্রশমন ও পরিস্থিতি শান্ত করার ক্ষেত্রে বেইজিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে।
গত ৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক-এ বর্ণিত যুদ্ধবিরতি আর কার্যকর নেই। এরপর থেকেই গত দুই সপ্তাহে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর হামলা চালিয়েছে। ওয়াশিংটন ইরানের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে, অন্যদিকে তেহরান দাবি করেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামের ওপর হামলা চালিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন