প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে যে, সউদী আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে তারা বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। খামিস মুশাইত শহরের এই বিমানঘাঁটিতে হামলার ফলে সরাসরি আঘাত হানার দাবি তারা করেছে। তবে, হুথিদের এই দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সউদীর দক্ষিণাঞ্চলে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সউদী কর্তৃপক্ষ আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার খবর জানিয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর রিয়াদ জানিয়েছিল যে, এসব হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে, দেশের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর, হুথিরা খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি ও সউদীর কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনার ওপর হামলার দাবি করেছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হুথিরা আবহা, নাজরান ও জিজানের পাশাপাশি খামিস মুশাইতের বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছিল।
এদিকে, ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে সরকারপন্থী বাহিনীর সংঘর্ষ তীব্র হয়েছে। সউদী-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে। লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় হুথিদের অগ্রসর হওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের কাছাকাছি কয়েকটি কৌশলগত এলাকা দখলের ঘটনায় আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হুথিদের অগ্রযাত্রা বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই নৌপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে তেল সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
একই সময়ে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রস্তাবিত বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে। আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে বৈঠকটি পিছিয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন