প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চ্যাম্পিয়ন হলে শুধু সম্মান নিবেন না, পকেটে টাকা গরম হবে। ইতালির শীর্ষ লিগ সিরি আ’র বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলানও উভয়টি পেয়েছে।
জুভেন্টাসের (৩৬) পর সর্বোচ্চ ২১ বার চাম্পিয়ন হয়েছে তারা।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফির সঙ্গে ইন্টারের অ্যাকাউন্টে যোগ হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২২ কোটি ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা (১৮ মিলিয়ন ডলার)। বিশাল অঙ্কের টাকা পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি আই নেরাজ্জুরিরা। তবে, এই খুশির মুহূর্তেই উবে যাবে ইন্টারের খেলোয়াড়দের যদি তারা শোনে অন্য একটি লিগে উত্তরণ পাওয়া ক্লাবের অর্থের প্রাপ্তি কত?
শুধু ইন্টার নয়, পাঠকদের চোখও কপালে উঠবে।
বিশ্বাস না হলে মিলিয়ে দেখুন। দ্বিতীয় স্তর থেকে ইংল্যান্ডের শীর্ষ স্তর প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ পাওয়া একটি করে দল কমপক্ষে ১৭০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পায়। অর্থাৎ, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ২৩৭ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার থেকে ৩ হাজার ৭১২ কোটি ৬৪ লাখ ১০ হাজার টাকা পায়।
২০২৬-২৭ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ পাওয়া ৩ দল হচ্ছে—কভেন্ট্রি সিটি, ইপসউইচ টাউন ও হাল সিটি।
প্লে অফ থেকে সুযোগ পাওয়া হাল সিটির আয় বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৬৫০ কোটি ৭৬ লাখ ৩৭ হাজার টাকা (২৯৫ মিলিয়ন ডলার)। এটি শুধুমাত্র প্রিমিয়ার লিগে প্রমোশন আয়। অর্থাৎ, লিগজয়ী ইন্টারের থেকে হাল সিটির আয় ১৬ গুণেরও বেশি।
দুই ভিন্ন লিগের দুই ক্লাবের আয়ের এই আকাশ-পাতাল পার্থক্য নিচের অন্যতম কারণগুলোর জন্য—
বিশাল সম্প্রচার স্বত্ব।
বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রিমিয়ার লিগ। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টিভি সম্প্রচার স্বত্ব মিলিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকায় বিক্রি হয়। আয়ের বড় অংশ ক্লাবগুলোর মধ্যে বণ্টন করে লিগ কর্তৃপক্ষ।
প্রমোশন এবং ‘প্যারাসুট পেমেন্ট’।
চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রিমিয়ার লিগে প্রমোশন পাওয়াটাই দলগুলোর কাছে লাভজনক। কেননা, প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ পেলেই সেন্ট্রাল টিভি রেভিনিউ, স্পন্সরশিপ এবং পরে অবনমিত হলেও কয়েক বছর ‘প্যারাসুট পেমেন্ট’ (অবনমিত দলকে আর্থিক সুবিধা) মিলিয়ে একেকটি ক্লাব কমপক্ষে ১৭০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার আয় করে।
সিরি আ’র সীমিত প্রাইজ মানি।
ইতালিয়ান লিগ সিরি আ’র চ্যাম্পিয়ন প্রাইজ মানি তুলনামূলক অনেক কম। মূল্যটা প্রায় ১৮-২৫ মিলিয়ন ডলার হয়। চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় পরে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও নিজস্ব স্পন্সরশিপ থেকে আলাদা আয় করলেও শুধু লিগ জয় থেকে পাওয়া অর্থ প্রিমিয়ার লিগের প্রমোশন পাওয়া দলের অর্থের ধারেকাছেও থাকে না।
সুষম রাজস্ব বণ্টন।
প্রিমিয়ার লিগের মোট আয়ের বড় একটি অংশ লিগের সব ক্লাবকে প্রায় সমানভাবে বণ্টন করা হয়। এতে করে প্রমোশন পাওয়া দল বা টেবিলের তলানির ক্লাবও বিপুল পরিমাণ অর্থ পায়। সাধারণত ইউরোপের অন্য লিগে এমনটা দেখা যায় না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন