প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন বিভাগের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে।
এই তথ্য বুধবার বিকালে সংস্থাটির মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, আজ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা হলেন- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য ইতোমধ্যে একটি চার সদস্যের টিম গঠন করা হয়েছে।
দুদকের মুখপাত্র প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
এর আগে, আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করেছে দুদক। ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে তদবির-বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রায় ১১ মাস অনুসন্ধানের পর গত ফেব্রুয়ারিতে অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন