প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার করে তৈরি বিকৃত ছবি ও ভিডিও নিয়ে একের পর এক তারকা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। দক্ষিণী সুপারস্টার জুনিয়র এনটিআর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। তিনি জাহ্নবী কাপুরের সঙ্গে অভিনীত ‘দেবরা: পার্ট ১’-এর জনপ্রিয় গান ‘চুট্টামাল্লে’র দৃশ্য বিকৃত করে তৈরি একটি ভিডিও নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এনটিআর একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
এনটিআরের অবস্থানকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা। তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন এবং জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিজয়ের মতে, এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ডিজিটাল মাধ্যমে যৌন নিপীড়নেরই শামিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে বিজয় লেখেন, ‘অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয়। প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ কাউকে অপমান করে আনন্দ পাওয়াকে তিনি চূড়ান্ত অসংবেদনশীলতা বলেও মন্তব্য করেন। হতাশা প্রকাশ করে বিজয় প্রশ্ন তোলেন, ‘আমরা একে অপরের প্রতি এতটা অসংবেদনশীল হয়ে গেলাম কবে?’
এছাড়া, এমন মানসিকতা তৈরির পেছনে পরিবার, অভিভাবকত্ব ও সমাজের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজয়। এআইয়ের মতো উন্নত প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘কিছু মানুষের জন্য সেই প্রযুক্তির প্রকৃত গুরুত্বটাই হারিয়ে যাচ্ছে।’
সিনেমার একটি গানের দৃশ্য বিকৃত করে তৈরি ভিডিওটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিজয় আরো বলেন, ‘এটা তো ডিজিটাল সেক্সচুয়াল অ্যাসল্ট।’
যেসব ঘটনা কারও ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে গুরুত্বসহকারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও মত দিয়েছেন তিনি। জুনিয়র এনটিআর ও জাহ্নবীর বিকৃত ভিডিওকে ‘জঘন্য, অসুস্থ মানসিকতার এবং নির্লজ্জ’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজয়।
এর আগে জুনিয়র এনটিআরও ভিডিওটি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি অনুরোধ করেছেন, কেউ যেন ভিডিওটি না দেখেন এবং কোনোভাবেই এটি শেয়ার না করেন। একই সঙ্গে এআইয়ের অপব্যবহার বন্ধে আরও কঠোর আইন ও বিধি প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ ধরনের ‘ব্যধি’ চিরতরে নির্মূল করতে রাজ্য সরকারের পাশাপাশি ভারত সরকারকেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জুনিয়র এনটিআর। তিনি বলেন, যারা ভিডিওটি তৈরি ও ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাদের কোনোভাবেই ক্ষমা করা হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন