প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ব বাজারে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। লোহিত সাগরে হুথিদের নৌ-অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা আচমকা এশিয়া সহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ায় সৌদি আরবের রফতানি কমে গেছে।
এদিকে, বাব আল-মানদেব প্রণালি মুক্ত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত সম্ভবত বোমা হামলা হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে চলমান সংঘাতের সমাধান আনতে পারবে না বলে মনে করছেন একজন বিশ্লেষক।
রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট ফর ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ-এর সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট ফেলো মাইকেল স্টিফেনস বলেন, ‘আপনি কি বোমা মেরে বাব আল-মানদেবকে মুক্ত করতে পারবেন? আমি মনে করি না। আর যদি তা করা যেত, তবে আমরা হরমুজে এখন যে অবস্থায় আছি, সেই অচলাবস্থার সৃষ্টি হতো না-ঠিক একইভাবে বাব আল-মানদেবেও হতো না, যা আরও অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।’
বাব আল-মানদেব দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা মূলত সৌদি আরবের ব্যবহৃত ‘ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন’কে অকার্যকর করে দেবে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ইয়ানবু টার্মিনাল হয়ে বিশ্ব বাজারে তেল সরবরাহ করা হয়।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরবের কাছ থেকে তেল পেতে ব্যাকুল পশ্চিমা ও এশীয় দেশগুলোর চাপের মাত্রা আরও বাড়বে বলছেন স্টিফেনস।
কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে তিনি আরও বলেন, ‘আপনি যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প হন এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলারে নামিয়ে আনতে চান, তবে তা আপাতত ঘটছে না।’
স্টিফেনস আরও উল্লেখ করেছেন, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু দেশের অর্থনীতি তাদের তেলের মজুত প্রশাসিত করে ফেলেছে। এই কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মেঘ ঘনিয়ে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন