প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ ফ্লোরিডার অত্যন্ত ব্যস্ত পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। গত বৃহস্পতিবার থেকে পুরোনো নামফলক সরিয়ে নতুন ব্র্যান্ডিংয়ের কাজটি শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। একই দিন সকালে নতুন নামধারী বিমানবন্দরে প্রথম অবতরণ করে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন মালিকানাধীন বোয়িং ৭৫৭ উড়োজাহাজ ট্রাম্প ফোর্স ওয়ান।
নতুন নাম ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে কিন্তু আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের নিয়ম অনুযায়ী এর তিন অক্ষরের অফিশিয়াল কোড আগামী ১৮ আগস্ট থেকে পরিবর্তিত হবে। বর্তমান পিবিআই কোডের পরিবর্তে নতুন কোড হবে ডিজেটি। ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিসের সই করা একটি বিশেষ আইনের মাধ্যমে এই নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন নামফলক স্থাপন, ব্র্যান্ডিং এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য প্রায় ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় হবে।
উদ্বোধনের দিন ট্রাম্প ফোর্স ওয়ানে করে বিমানবন্দরে পৌঁছান ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে এরিক ট্রাম্প। ট্রাম্প পরিবার পাম বিচের মার এ লাগো বাসভবনে যাতায়াতের জন্য নিয়মিতভাবে এই বিমানবন্দর ব্যবহৃত করে থাকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এরিক ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, "দেশের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে বেশি অবদান আর কেউ রাখেনি।" একটি ছেলে এবং এই বিমানবন্দরের নিয়মিত ব্যবহারকারী হিসেবে তার বোর্ডিং পাসে ডিজেটি আদ্যক্ষর দেখতে তিনি গর্ববোধ করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে বিমানবন্দর থেকে মার এ লাগো পর্যন্ত সড়কের একটি অংশের নাম পরিবর্তন করে ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প বুলেভার্ড রাখা হয়েছিল।
নিজের নামের ওপর বিমানবন্দরের নামকরণকে তিনি বড় একটি সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেটি ট্রুথ সোশ্যালে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এটিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিমানবন্দর আখ্যা দিয়ে পাম বিচের ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
যদিও সাধারণ যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। সিনসিনাটিগামী যাত্রী কিগান কলেট বলেছেন, "শেষ পর্যন্ত এটি একটি বিমানবন্দরের নাম মাত্র।" তার মতে, এটি মূল সমস্যা থেকে মানুষের মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর একটি রাজনৈতিক উদ্যোগ।
একই দিনে টেনেসির ড্যান্ড্রিজ শহরে আই ৪০ সেতুর নামও পরিবর্তন করে ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প সেতু রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, ইউএস সিনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্নসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে এই এলাকাটি ডোনাল্ড ট্রাম্প ৮২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন