প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম নগরের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি যানজট নিরসনে পাঁচটি নির্দেশনা জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকালে নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশে, টুলবক্সে ও ওভারব্রিজে ব্যানার এবং ফেস্টুন টাঙিয়ে এসব নির্দেশনা প্রচার করতে দেখা যায় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের।
সিএমপির পাঁচটি নির্দেশনা হলো:
প্রথমত, পুলিশের নাম ব্যবহার করে কোনো সিএনজিচালিত অটোরিকশায় টোকেন বিক্রি করা যাবে না। যদি টোকেন বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ মেলে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দ্বিতীয়ত, যদি কোনো ধরনের টোকেন প্রদর্শন করা হয়, তাহলে সেই গাড়ি আটক করা হবে।
তৃতীয়ত, সড়কে চলাচলের জন্য টাকার বিনিময়ে কোনো ধরনের টোকেন গ্রহণ না করার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকদের অনুরোধ করা হয়েছে।
চতুর্থত, অটোরিকশায় টোকেন প্রদানের সঙ্গে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততার বিষয় নেই।
পঞ্চমত, যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্ধারিত স্থান ছাড়া যেখানে-সেখানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা পার্কিং করে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে গাড়ি আটক করা হবে।
শুধু তাই নয়, গ্রামে সিএনজি অটোরিকশা ও ‘অনটেস্ট’ সিএনজি অটোরিকশা মেট্রোপলিটন এলাকায় চলাচল করতে পারবে না। যদি প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কাগজপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়, তাহলে গাড়ি আটক করা হবে।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা যদি মূল সড়কে প্রবেশ করে, উল্টো পথে চলাচল করে কিংবা সেতুতে ওঠার চেষ্টা করে, তাহলে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য গাড়ি আটক করা হবে।
সিএমপির ট্রাফিক-বন্দর বিভাগ জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য বা নিয়ম ভঙ্গ করলে গাড়ি আটক করার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন