প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শরতের প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা বইতে শুরু করেছে। ভোরের কুয়াশা, শিশিরভেজা মাঠ এবং হালকা শীতল বাতাসের মধ্যে চুয়াডাঙ্গার মাঠে খেজুরগাছ পরিচর্যা ও কাটার প্রস্তুতিতে গাছিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলার মাঠে খেজুরগাছের পরিচর্যা ও কাটার কাজে গাছিরা সক্রিয়। কারও হাতে রয়েছে ধারালো দা, কোমরে বাঁধা সরঞ্জামের থলে। তারা নিপুণ হাতে গাছের শুকনো অংশ পরিষ্কার করে রস আহরণের জন্য প্রস্তুত করছেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গাছে ঝুলবে মাটির হাঁড়ি এবং শুরু হবে খেজুরের রস সংগ্রহের কাজ। এই রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হবে সুস্বাদু গুড় ও পাটালি, যা চুয়াডাঙ্গার সীমানা ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে যাবে।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা জেলায় খেজুরগাছের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭১ হাজার ৯৬০টি। চলতি মৌসুমে এসব গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মৌসুমেও গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সে সময় খেজুরের গুড় ঘিরে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই মৌসুমি পণ্যকে ঘিরে গাছি, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা এবারও আশাবাদী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন