প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় গ্রেপ্তারের একদিন পর যুবলীগ নেতা নুরুল আলমের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের মা নূর জাহান আদালতে এ মামলাটি করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাতে ৭ থেকে ৮ সদস্যের একটি পুলিশ দল নুরুল আলমকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে যায়। এ সময় নূর জাহান পুলিশ সদস্যদের কাছে তার ছেলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা রয়েছে কি না জানতে চান।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ওই সময় ওসি পরিচয়দানকারী নুরুল আলম ও জাহাঙ্গীর আলম নামের দুই পুলিশ সদস্য নুরুল আলমকে মারধর করেন। পাশাপাশি এসআই আনোয়ার ও কনস্টেবল ইমদাদের বিরুদ্ধেও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
নিহতের মায়ের দাবি, তিনি ছেলেকে না নেওয়ার জন্য আকুতি জানালেও পুলিশ সদস্যরা তা আমলে নেননি। একপর্যায়ে নুরুল আলমকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় পুলিশ সদস্যদের একজন এসপি মাসুদের নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছেন বলেও এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন আদালতে হাজির করার সময় নুরুল আলম তার মাকে জানান যে, গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করছেন এবং কয়েক দফা বমি করেছেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পরে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে নুরুল আলম রক্তবমি করেন। এ সময় কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়।
মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে— এসপি মাসুদ, ইনস্পেক্টর নুরুল আলম, ইনস্পেক্টর জাহাঙ্গীর আলম, এসআই আনোয়ার, সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), কনস্টেবল ইমদাদ, জেলার রাকিব শেখ এবং জেল সুপার ইকবাল হোসেনকে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি আদালতে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন