প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ভূমি সংস্কার বোর্ডের অধীনে কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইমামুল বাশার, যিনি মিলন নামেও পরিচিত, তাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
এই রায় রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন আসামির উপস্থিতিতে ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের স্টেনোগ্রাফার সোহানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে ইমামুলকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেটি আসল হিসেবে ব্যবহারের জন্য তাকে আরও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের শাস্তি হিসেবে গণ্য হবে। পৃথক দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে, ফলে তাকে সাত বছর কারাভোগ করতে হবে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করেন। তিনি ভুয়া জমা ভাউচার তৈরি করে তা খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেন। ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই পর্যন্ত ভূমি সংস্কার বোর্ড থেকে ঋণ আদায় বাবদ মোট ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা পাওয়া যায়। তিনি ওই অর্থ ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।
এই ঘটনায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম ২০২১ সালের ৯ জুন ইমামুল বাশারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০২৩ সালের ২২ মার্চ মামলার তদন্ত শেষে কমিশনের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরবর্তী বছরের ১১ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন