প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা বিশাল পরিমাণ অর্থের মুখোমুখি হচ্ছেন। শীর্ষ ১৫ জন ধনাঢ্য দাতা মিলে এই নির্বাচনে ১.৫ বিলিয়ন বা ১৫০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকার সমান। ওপেনসিক্রেটস এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ থেকে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
অনুদান প্রদানকারীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন ধনকুবের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তিনি একাই ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারেরও বেশি (৩৬৫ মিলিয়ন ডলার) অনুদান দিয়েছেন। মাস্ক মূলত রিপাবলিকান সমর্থক ‘আমেরিকা প্যাক’ ও অন্যান্য সুনির্দিষ্ট তহবিলে এই অর্থ প্রদান করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক প্রচারে সীমাহীন অর্থ খরচের সুবিধা চালুর পর থেকে একক দাতা হিসেবে ইলন মাস্ক সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচের নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
মাস্কের পাশাপাশি রিপাবলিকানদের সমর্থনে আরও বেশ কয়েকজন ধনী ব্যক্তি ও অলাভজনক সংস্থা বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছে। যেমন ‘ওয়ান নেশন’ নামের একটি সংস্থা প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে। ব্যবসায়ী দম্পতি এলিজাবেথ ও রিচার্ড উইহলেইন ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি এবং প্রযুক্তি বিনিয়োগকারী মার্ক আন্দ্রেসেন ও বেনিয়ামিন হোরোউইৎস মিলে ১১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পক্ষেও বড় অঙ্কের আর্থিক সমর্থন এসেছে। ডেমোক্র্যাট সমর্থক সংস্থা ‘মেজরিটি ফরওয়ার্ড’ ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং প্রবীণ ব্যবসায়ী জর্জ সরোস অন্তত ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন। এছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সি সংস্থা রিপল ল্যাবস, কয়েনবেস এবং সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গও কোটি কোটি ডলারের তহবিল জোগান দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, কিছু ধনকুবেরের এভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা ঢালার ফলে সাধারণ জনগণের ভোটের চেয়ে বড় অনুদানকারীদের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে কিছু পরিচয়হীন অলাভজনক সংস্থার মাধ্যমে গোপনে অর্থ পৌঁছানোর কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন