প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হারের পর নকআউটের দৌড়ে স্কটল্যান্ডের ক্ষীণ আশা ছিল, কিন্তু সেই আশা শেষ হয়ে যায় ঘানার বিরুদ্ধে ক্রোয়েশিয়ার ২-১ গোলের জয়ে। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পরপরই দলটির কোচ স্টিভ ক্লার্ক পদত্যাগ করেছেন।
স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এসএফএ) একটি বিবৃতির মাধ্যমে ক্লার্কের পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে। অথচ কিছুদিন আগে তিনি স্কটল্যান্ডের সঙ্গে নতুন করে চার বছরের একটি চুক্তি সই করেছিলেন।
বিদায়ের ঘোষণায় ক্লার্ক বলেন, ‘এই বিদায়ের সবচেয়ে আবেগঘন অংশ হলো আমার খেলোয়াড়দের ছেড়ে যাওয়া। তাদের ছাড়া ২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আমরা যে অসংখ্য স্মৃতি গড়ে তুলেছি, তা সম্ভব হতো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা যে প্রশংসা ও ভালোবাসা পায়, তার পুরোপুরিই তারা প্রাপ্য। তাদের কোচ হতে পারা আমার জন্য সত্যিই সম্মানের ছিল। আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, এবং আমার উত্তরসূরির জন্য শুভকামনা।’
সাত বছর আগে, স্টিভ ক্লার্ক স্কটল্যান্ডের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এর আগে দলটি ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের পরে কোন বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেনি। তাঁর অধীনে স্কটল্যান্ড টানা দুটি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউরো) এবং এবারের বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেছে।
তবে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের সফলতা সত্ত্বেও, তিনটি বড় টুর্নামেন্টেই স্কটল্যান্ড প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। চলতি মাসে হাইতির বিরুদ্ধে ১-০ ব্যবধানে জয়ই ছিল এই তিনটি টুর্নামেন্ট মিলিয়ে তাদের একমাত্র জয়।
স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী ইয়ান ম্যাক্সওয়েল ক্লার্কের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ায় আমরা সকলেই হতাশ। তবে স্টিভের সাত বছরের দায়িত্বকালে স্কটল্যান্ড যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, তা ভুলে গেলে চলবে না।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন