প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনকে প্রদত্ত লাল কার্ড নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটির বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই। বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালে রেফারির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা যায় না।
বৃহস্পতিবার ভোরে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। ম্যাচে প্রথমে বালোগুন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পরে মালিক টিলম্যান আরেকটি গোল করেন, যা দলের জয় নিশ্চিত করে।
কিন্তু ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে বিপত্তি ঘটে। বলের দখল নিতে গিয়ে বসনিয়ার ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের গোড়ালিতে বুটের স্টাড লাগিয়ে ফেলেন বালোগুন। প্রথমে রেফারি শুধু ফাউলের বাঁশি বাজালেও ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে ঘটনাটি আবার দেখেন এবং সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
ফলস্বরূপ, বালোগুন শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না। অনেক সমর্থকের ধারণা ছিল, যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে। কারণ, এর আগে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচে একই ধরনের একটি চ্যালেঞ্জের জন্য লিওনেল মেসি শাস্তি পাননি।
তবে বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো ফুটবলার সরাসরি লাল কার্ড বা দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে মাঠ থেকে বহিষ্কৃত হয়, তবে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন। প্রয়োজনে শৃঙ্খলা কমিটি অতিরিক্ত শাস্তিও দিতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, খেলার সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনার ক্ষেত্রে রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় না।
অতএব, বালোগুনের সম্পর্কে যেহেতু এক ম্যাচের স্বাভাবিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত কোনো শাস্তি ইউন্যাদিরিক করা হয়নি, তাই যুক্তরাষ্ট্রের আপিল করার সুযোগ নেই।
এদিকে সাবেক প্রিমিয়ার লিগ রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, ঘটনাটি ছিল পুরোপুরি দুর্ঘটনাবশত। ভিডিও সহকারী রেফারির হস্তক্ষেপে লাল কার্ড প্রদর্শন করা ঠিক হয়নি। তাঁর বিশ্বাস, এই সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন