বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:০৯ পি.এম
বিভিন্ন বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়ের প্রসার ঘটায় চীনের শীর্ষস্থানীয় অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেলা লি, মধ্যপ্রাচ্যকে ‘উদ্ভাবনের জন্মস্থল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়রি) দোভাসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম চলাকালীন আরব নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য জানান।
বিওয়াইডি’র প্রধান নির্বাহী সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেন যে, আমরা মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক বিনিয়োগের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছি। এই উদ্দেশ্যে একটি শক্তিশালী ডিলার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
সৌদি সরকারের বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) উচ্চাকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, যদি সরকার লক্ষ্য নির্ধারণ করে, তবে আমাদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। রিয়াদের ২০৩০ ভিশনকে সমর্থন করার জন্য আমাদের মতো একটি প্রযুক্তি কোম্পানি প্রয়োজন।
গত বছর বিওয়াইডি বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির মার্কিন নির্মাতা টেসলাকে পিছনে ফেলে বিশ্বে শীর্ষ ইভি বিক্রেতার স্থান অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি নতুন প্রযুক্তি এবং প্রবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করতে মধ্যপ্রাচ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
স্টেলা লি মন্তব্য করেন, এখানে মানুষ অত্যন্ত উন্মুক্ত। সরকার এবং স্থানীয় জনগণ নতুন প্রযুক্তির সুবিধা উপভোগ করছে।
বিওয়াইডি মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে ব্যাটারি বৈদ্যুতিক যানবাহন ও প্লাগ-ইন হাইব্রিডের সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করছে। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত দেশগুলোর ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের নেতৃত্বে বাজারগুলো বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বাজারগুলোর তালিকায় রয়েছে। সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড খাতে আক্রমণাত্মকভাবে বিনিয়োগ করছে এবং লুসিড মোটরসকে সমর্থন করছে। দেশটি বৈদ্যুতিক যানবাহন সিইআর চালু করছে এবং চার্জিং অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা করছে।
যদিও এখনও মোট গাড়ি বিক্রির মধ্যে ইলেকট্রিক গাড়ির অংশ মাত্র ১ শতাংশেরও বেশি নয়। উচ্চ খরচ, সীমিত চার্জিং অবকাঠামো এবং চরম আবহাওয়া এখনও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিদ্যমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী হিসেবে সাবেক বিরোধীদলীয় চীফহুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক সেনবাগে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ভূঁইয়া দিঘী পীর আনিস মোহাম্মদ ভূঁইয়া সাহেবের মাজারে গিয়ে জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত সভায়, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাফর উল্লাহ খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আলাপকালে জয়নুল আবদিন ফারুক বিএনপির বহিস্কৃত নেতা কাজী মফিজুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি দেখেননি বেগম খালেদা জিয়াকে কিভাবে এক কাপড়ে তার গুলশানের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আপনি দেখেননি তার বাসার নেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। আপনি দেখেননি তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর লাশ সামনে রেখে অজোরে চোখের পানি পেলেছে।”
তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আপনারা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখেছেন, তিনি একমাত্র মহিলা যার এক ইঞ্চি জায়গা বিদেশের মাটিতে নেই।” ফারুক আরও উল্লেখ করেন, কাজী মফিজুর রহমানকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং বলেন, “যারা বিএনপি করে তারা কোন বহিস্কৃত নেতার পক্ষে থাকতে পারে না।”
এসময় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন, কারো সঙ্গে দুর্ব্যবহার থেকে বিরত থেকে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলার বিএনপির আহবায়ক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাহার, জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন এবং অন্যান্য অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টি সম্পর্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে ২৪ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় জড়িতদের সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত করে তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আবশ্যক।
জাতিসংঘ শুরু থেকেই বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বিপুল সংখ্যক হতাহতের ঘটনায় জড়িতদের বিচার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আসছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গ উঠে আসে।
এক সাংবাদিক ২৪ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অন্তত ১৪০০ জন নিহত হওয়ার বিষয় এবং হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করে প্রশ্ন করেন, জাতিসংঘ মহাসচিব কি ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন যে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হোক?
প্রথমে সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে, জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। তিনি জানান, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের জবাবদিহিতা নির্ধারণ প্রয়োজন এবং এই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার অত্যাবশ্যকতা রয়েছে।
ফারহান হক বলেন, ‘আমরা মনে করি যে জবাবদিহিতা থাকতে হবে। আপনি যেমন উল্লেখ করেছেন, জাতিসংঘ নিজেই সংঘটিত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করেছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিতা থাকা প্রয়োজন, তবে এটি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি মৌলিক সম্মানের সাথে করতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর-৩ আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়ার পক্ষে গণসংযোগ কার্যক্রমে জোর দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১ নম্বর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এই গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।
গণসংযোগের সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সাথে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে প্রার্থীর পক্ষে জনসমর্থন অর্জনের চেষ্টা করেন। এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন খেলাফত মজলিসের চাঁদপুর জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক মুহাম্মদ নোয়াইম, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর যুগ্ম সদস্য সচিব তামিম খান, জাতীয় ছাত্র শক্তির চাঁদপুর জেলা আহ্বায়ক সাগর হোসেন, এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর শহরের সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলাম সবুজ খান।
এছাড়া, ১ নম্বর বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রধানিয়া, ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি কাজী মো. আবু তাহের এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দও আশপাশের ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপন করেন।
গণসংযোগকালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ভোটারদের বলেন, "দেশ ও জনগণের কল্যাণে একটি সৎ, দক্ষ ও জনকল্যাণমূলক নেতৃত্ব গড়ে তোলার জন্য দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই।" তারা আগামী নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি একজন স্বৈরশাসক। কখনও কখনও একজন স্বৈরশাসকেরও প্রয়োজন হয়।”
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার পর এই মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তার এই কথা এবং গ্রিনল্যান্ড, কানাডা ও ইউরোপ সম্পর্কে তার মতামত আন্তর্জাতিক ব্যাপারে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মার্কিন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা দারুণ একটা ভাষণ দিয়েছি এবং অসাধারণ প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। বিশ্বাসই হচ্ছিল না, সবাই ভালো রিভিউ দিয়েছে।”
এছাড়া তিনি বলেন, “সাধারণত তারা বলে— ‘ও (ট্রাম্প) ভয়ঙ্কর একজন স্বৈরশাসক ধরনের ব্যক্তি। আমি তো স্বৈরশাসকই।”
এরপর তিনি যোগ করেন, “কিন্তু কখনও কখনও একজন স্বৈরশাসক দরকার! তবে এবার তারা সেটি বলেনি। এটা সাধারণ বোধের ভিত্তিতে বলা— এটা রক্ষণশীল বা উদারপন্থি কিছু নয়।”
তবে ট্রাম্পের এই স্বৈরশাসকের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা প্রথম নয়। গত বছরের আগস্টে ওয়াশিংটনে অপরাধ এবং অভিবাসন দমনে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন এবং পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় মামলা করার নির্দেশের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, আমেরিকানরা হয়তো একজন স্বৈরশাসকই চাইছে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে অপরাধ ও অভিবাসন দমনে তার কঠোর পদক্ষেপের কৃতিত্ব তিনি পাচ্ছেন না।
তখন তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “এরা বলে, আমাদের তাকে দরকার নেই। স্বাধীনতা, স্বাধীনতা। সে স্বৈরশাসক। অনেকেই বলছে, হয়তো আমরা একজন স্বৈরশাসকই পছন্দ করি।”
এখন পর্যন্ত ট্রাম্প বলেন, “আমি স্বৈরশাসক পছন্দ করি না। আমি স্বৈরশাসক নই। আমি একজন সাধারণ বোধসম্পন্ন ব্যক্তি এবং বুদ্ধিমান।”
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে ফক্স নিউজের শন হ্যানিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন তিনি স্বৈরশাসকের মতো হবেন— তবে সেটি কেবল প্রথম দিনই।
তাহলে শক্ত হাতে শাসন করা নেতাদের প্রশংসা করা ট্রাম্পের নতুন কিছু নয়। তিনি বহুবার কর্তৃত্ববাদী নেতাদের শক্তি, বুদ্ধি ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার প্রশংসা করেছেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তিনি ‘বুদ্ধিমান’, ‘খুবই বুদ্ধিমান’ ও ‘শক্তিশালী নেতা’ বলে অভিহিত করেছেন।
এছাড়া, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে তিনি ‘শক্তিশালী’, ‘খুব সম্মানিত’ এবং ‘হলিউডের কেন্দ্রীয় চরিত্রের মতো’ বলেছেন।
তার মন্তব্য অনুযায়ী, ‘হলিউডেও কেউ এই চরিত্রটা সঠিকভাবে অভিনয় করতে পারবে না’। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকেও তিনি ‘কঠোর’ ও ‘খুব চালাক’ হিসেবে অভিহিত করছেন এবং ২০১৮ সালে এমন মন্তব্য করেছিলেন যে তারা দুজন ‘প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন’। সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ