প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ তার ছোটবেলার বন্ধু স্যাম এবং টম কারানের কথা স্মরণ করেছেন। দুই পরিবারের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল এবং তারা একসঙ্গে সফর করত। ক্রিকেট ডট এইউ ‘এক্স’-এ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে মার্শ কারান পরিবারের বাড়িতে ক্রিকেট খেলার অনেক স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তিনি সেই স্মৃতিগুলোকে ‘খুব ভালো’ এবং বিশেষ বলে উল্লেখ করেন।
মার্শের ছোটবেলায় জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্ন গড়ে উঠেছিল। কারণ, তার শৈশবের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় সেখানে কেটেছিল। ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত, তার বাবা এবং সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার জিওফ মার্শ জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাবার কাজের সুবাদে পুরো পরিবার জিম্বাবুয়ে চলে আসে, ফলে তরুণ মিচেল মার্শের জিম্বাবুয়ের সংস্কৃতি এবং ক্রিকেটের সঙ্গে এক গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়।
এই গভীর ভালোবাসার কারণে এক সময় তার মনে জিম্বাবুয়ের হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন জেগেছিল। মার্শ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এক সময় সত্যিই জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলতে চেয়েছিলাম।’ যখন মার্শ পরিবার জিম্বাবুয়ে ছিল, তখন মিচেলের বড় ভাই শন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। সেই সময় মিচেল হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্রিকেট খেলতেন। তার সঙ্গী ছিলেন বাবার কোচিং সহকারী কেভিন কারানের ছোট ছেলেরা।
সেই উঠানে ও ক্লাবে খেলা ক্রিকেটের ফলে অনেক প্রতিভার জন্ম হয়েছে। টম, বেন ও স্যাম কারান তিনজনই পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশ করেছেন। টম ও স্যাম ইংল্যান্ডের হয়ে এবং বেন জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলছেন। এই সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে জিম্বাবুয়ে দলের জন্য বেনের নাম রয়েছে।
ক্রিকেট ডট এইউয়ের ভিডিওতে মার্শ বলেন, ‘ওখানে কারান ছেলেরা আছে — স্যামি ও টম। আমার মনে হয় ওটা শ্রীলঙ্কায় হয়েছিল, তবে আমি ভুলও হতে পারি। আমরা পরিবার নিয়ে সফর করতাম এবং কেভিন ছিলেন বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন। কারান ছেলেরা কার্যত এখানে আমাদের সঙ্গেই বড় হয়েছে। এগুলো সত্যিই অনেক বিশেষ স্মৃতি। তাদের বাড়িতে উঠানে অনেক লড়াই হয়েছে। খুব ভালো স্মৃতি।’
মার্শ একসময় জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতেন এবং সেই দেশটি তার হৃদয়ের কাছে থেকে গেছে। এবার হারারেতে তিনি তার ১০০তম ওডিআই খেলতে নামবেন। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওডিআইতে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন