প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা তিনটি সফল পরীক্ষার মাধ্যমে ভারত বহুমুখী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা (বিএমডি) ব্যবস্থার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১০ ও ১১ জুন পরিচালিত এসব পরীক্ষার সাফল্যের মাধ্যমে ভারত এমন দেশগুলোর কাতারে আরও দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছে, যাদের কাছে উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে, যা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পারে।
শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ধারাবাহিক এই পরীক্ষাগুলোর উদ্দেশ্য ছিল সম্ভাব্য বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করা। তিনটি পরীক্ষায় আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) প্রতিরোধ প্রযুক্তি এবং মাঝারিপাল্লার জাহাজ বিধ্বংসী সক্ষমতার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে।
পরপর তিনটি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তার কার্যকারিতা ও লক্ষ্যভেদের ধারাবাহিক সক্ষমতা যাচাই করা হয়। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) পরিচালিত এই কর্মসূচিকে দেশটির সামরিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় দুই ধরনের বিশেষায়িত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা ২ হাজার থেকে ৫ হাজার কিলোমিটারের মধ্যম-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইআরবিএম) ধ্বংস করতে সক্ষম।
এ প্রযুক্তির আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরে—উভয় পরিবেশেই লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করতে পারে। ফলে মহাকাশ থেকে আসা সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধেও একটি নমনীয় ও বহুস্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন