প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২০ জুন, ২০২৬ : ইরিত্রিয়ায় সরকারের সমালোচকরা বন্দিশিবিরে, জোরপূর্বক শ্রমে এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন। ফলে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শুক্রবার, দেশটির বিষয়ে জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞ ইরিত্রিয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন।
এ খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে জেনেভায় একটি প্রতিবেদন পেশ করে মোহাম্মদ আবদেলসালাম বাবিকার উল্লেখ করেন, তিনি দেখেছেন যে ইরিত্রিয়ায় ব্যাপক ও পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটে চলেছে এবং এসব অপরাধে জড়িতদের মধ্যে কেউ শাস্তি পাচ্ছে না।
২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়কাল নিয়ে তৈরি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে তিনি বলেন, মানবাধিকার পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি হয়েছে এবং বর্তমানে তা ‘অত্যন্ত গুরুতর ও সংকটজনক’ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ইরিত্রিয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হচ্ছেÑএমন বিশ্বাস করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।’
বাবিকার আরও জানান, ‘দেশটিতে পরিকল্পিতভাবে মানুষকে জোরপূর্বক গুম করা, কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে যোগাযোগবিহীনভাবে আটক রাখা, নির্যাতন করা, এবং বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা, সাংবাদিক ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর দমনপীড়ন অব্যাহত রয়েছে।’
এটি যেন দেশটির শাসন ব্যবস্থার একটি নিয়মিত অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরিত্রিয়া ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়া থেকে স্বাধীন হওয়ার পর ৮০ বছর বয়সী ইসাইয়াস আফওয়ার্কির কঠোর শাসনে পরিচালিত হয়ে আসছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন