প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তেহরান-ভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক আলী আকবর দারেইনি বলেছেন, ইরান শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত থেকে টিকে থাকতেই সক্ষম হয়নি, বরং ওয়াশিংটনকে একটি ‘কৌশলগত ব্যর্থতাও’ উপহার দিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে তিনি জানিয়েছেন, ‘টিকে থাকাই সবচেয়ে বড় অর্জন, তবে ইরানের অর্জন কেবল দুটি পারমাণবিক শক্তির এই আগ্রাসী যুদ্ধ থেকে টিকে থাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, যাদের মধ্যে একটি হলো বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি।’
দারেইনি আরও বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা উন্মোচন করে দিয়েছে ইরান।’
তার মতে, আরব মিত্রদের রক্ষা করা তো দূরের কথা, আমেরিকানরা নিজেদের সামরিক সম্পদই রক্ষা করতে পারেনি। সবাই বুঝে গেছে যে, মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো আরবদের নয়, বরং ইসরাইলকে রক্ষা করার জন্যই আছে।
তিনি জানান, ইরান এমন এক মাত্রার জাতীয় সংহতি দেখিয়েছে, যা নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, ‘এই যুদ্ধ সবাইকে দেখিয়েছে কীভাবে ইরানিরা জাতীয় পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ইরান জাতীয় সংহতির পরিচয় দিয়েছে এবং তাদের কৌশলগত সংস্কৃতির মূল বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছে–তা হলো বিদেশি দমন-পীড়ন ও আগ্রাসনের কাছে নতি স্বীকার না করা।’
ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকটি নিজেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রমাণ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
গবেষক আলী আকবর দারেইনির ভাষায়, ‘তারা (যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল) ভেবেছিল ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানকে শেষ করে দিতে পারবে। তারা ব্যর্থ হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি কৌশলগত ব্যর্থতা এবং ইরানের জন্য একটি কৌশলগত বিজয়।’
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন