প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একদিন যে নদীর জোয়ার-ভাটার বিস্ময়কর রূপ মুগ্ধ করেছিল মুঘলদের, সেই বুড়িগঙ্গার ছন্দ দেখেই ১৬১০ সালে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। সময়ের পরিক্রমায় সেই বুড়িগঙ্গাই আজ নগরীর অবহেলা, বর্জ্য ও অপরিকল্পিত নগর সম্প্রসারণের ভারে অস্তিত্ব সংকটে। লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলারসহ অসংখ্য নৌযানের ব্যস্ততায় নদীর বুক এখনো সরব; কিন্তু তার স্রোতের সঙ্গে মিশে আছে দূষিত পানি, বর্জ্য আর দীর্ঘদিনের নগর ব্যবস্থাপনার সংকট।
বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানোর আলোচনা সাধারণত নদী সংস্কার, দখলমুক্তকরণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়-শুধু নদী ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন কি অস্তিত্ব সংকটে থাকা এ নদীকে বাঁচাতে পারবে, নাকি পাশাপাশি নজর দিতে হবে পুরো নগর কাঠামোর দিকে?
ঢাকার ইতিহাসের সঙ্গে বুড়িগঙ্গার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে জনবসতি, বাণিজ্য ও যোগাযোগের নানা কাঠামো। সদরঘাট আজও তার জীবন্ত প্রমাণ। প্রতিদিন হাজারো মানুষ নদীপথে যাতায়াত করেন, পণ্য ওঠানামা করে, নৌযান ছুটে চলে এক ঘাট থেকে আরেক ঘাটে।
মুঘল আমলে ঢাকার গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুড়িগঙ্গাও হয়ে ওঠে নগরজীবনের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। আজও সদরঘাটের ব্যস্ততা সেই ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে। লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার, নৌকাসহ নানা ধরনের নৌযানের অবিরাম চলাচলে নদীর বুকজুড়ে তৈরি হয় এক ব্যস্ত পরিবেশ।
এই নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য মানুষের জীবিকা। কেউ নাবিক, কেউ মাঝি, কেউ শ্রমিক, আবার কেউ ঘাট ও নৌবাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু যে নদী একসময় নগরকে সমৃদ্ধির পথ দেখিয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় সেই নদীকেই আজ শহরের বর্জ্য ও অবহেলার ভার বহন করতে হচ্ছে।
বাবুবাজার সেতু থেকে সদরঘাট হয়ে পোস্তগোলা পর্যন্ত নদীর পাড় ঘুরলে চোখে পড়বে দূষণের নানা চিত্র। কোথাও পানির ওপর ভাসছে পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতল, কোথাও জমে আছে আবর্জনা। কোথাও আবার নদীর তীরে বর্জ্যের স্তূপ। নদীর পানির স্বাভাবিক রং অনেক জায়গাতেই বদলে গেছে। বাতাসে ভেসে আসে দুর্গন্ধ।
নৌকা চলাচল করছে, ঘাটে মানুষের ব্যস্ততা রয়েছে; কিন্তু নদীর পানির দিকে তাকালে সেই ব্যস্ততার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সংকট স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই দৃশ্য শুধু একটি নদী দূষিত হয়ে যাওয়ার গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়োনিষ্কাশন, শিল্পায়ন এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের দীর্ঘদিনের সংকট।
প্রায় তিন দশক ধরে এ নদীর সঙ্গে জীবনযাপন করছেন গনি মিয়া (৫৭)। বর্তমানে তিনি সদরঘাট থেকে কামরাঙ্গীরচরের মাতবরঘাটে ট্রলার চালান। তিনি বলেন, “যখন পানি কমে যায়, তখন এমন গন্ধ হয় যে সারাদিন সেই গন্ধে থাকার পর বাড়িতে গিয়েও খেতে পারি না।”
বুড়িগঙ্গার দূষণের পেছনে একক কোনো কারণ নেই। বিভিন্ন গবেষণায় শিল্পবর্জ্য, পৌরবর্জ্য, পয়োবর্জ্য এবং বিভিন্ন নিষ্কাশনপথ দিয়ে নদীতে প্রবেশ করা দূষিত পানিকে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্পও বুড়িগঙ্গা দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে আলোচিত ছিল। গবেষণায় ট্যানারি বর্জ্যে ক্রোমিয়ামসহ বিভিন্ন ভারী ধাতুর উপস্থিতি এবং এর পরিবেশগত প্রভাবের কথা উঠে এসেছে। তবে ট্যানারি শিল্প সরিয়ে নেওয়ার পরও বুড়িগঙ্গার সংকট শেষ হয়নি। কারণ, এটি ছিল দূষণের অনেক কারণের মধ্যে একটি মাত্র।
এ ছাড়া পুরান ঢাকার মতো সীমিত জায়গায় বিপুল জনগোষ্ঠীর চাপ যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সামাল দিয়ে বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করাও কঠিন। সবকিছু ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে পড়ার বিষয়টিও দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
মাঝি আব্দুল আজিজের (৫২) অভিজ্ঞতাও বিষয়টি নতুনভাবে ভাবার সুযোগ দেয়। তাঁর ভাষায়, “বুড়িগঙ্গার পানিতে এখন সাকার মাছ ছাড়া আর কোনো মাছ থাকে না। তবে করোনার সময় যখন মানুষজন গ্রামগঞ্জে চলে গিয়েছিল, তখন কয়েক মাসের মধ্যেই পানি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। নদীতে নানা ধরনের ছোট-বড় মাছও ফিরে এসেছিল।”
বুড়িগঙ্গার দূষণ শুধু চোখে দেখা কালচে পানি কিংবা দুর্গন্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বিভিন্ন গবেষণায় নদীটির পানির গভীর সংকটের চিত্রও উঠে এসেছে।
২০২৩ সালে Journal of Water and Health-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় ২০১৯-২০২০ সময়ে বুড়িগঙ্গার ১০টি স্থান থেকে সংগ্রহ করা ২১০টি পানির নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে ক্রোমিয়াম, নিকেল, সীসা ও ক্যাডমিয়ামসহ একাধিক ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। গবেষণাটিতে ক্যাডমিয়াম, নিকেল ও সীসার দূষণকে ‘হেভি পলিউশন’ এবং অ্যান্টিমনির দূষণকে ‘সিরিয়াস পলিউশন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
২০২১ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা-পর্যালোচনায় বুড়িগঙ্গার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ২০০০ সালে প্রায় ২ মিলিগ্রাম/লিটার থেকে ২০১৯ সালের পর্যবেক্ষণে শূন্যে নেমে আসার তথ্য উঠে আসে। একই গবেষণায় পানিতে জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (BOD) ও রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদার (COD) উচ্চমাত্রাসহ বিভিন্ন ভারী ধাতুর দূষণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
BOD হলো পানিতে থাকা জৈব পদার্থ ভাঙতে অণুজীবের প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ। অন্যদিকে COD হলো পানিতে থাকা জৈব ও অন্যান্য অক্সিডাইজযোগ্য পদার্থকে রাসায়নিকভাবে জারিত করতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ। সাধারণত এসব মাত্রা বেশি হলে পানিতে দূষণের মাত্রাও বেশি বলে ধারণা করা হয়।
অন্যদিকে, ২০২২ সালে Frontiers in Public Health-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় ঢাকার নদীব্যবস্থার বিভিন্ন নিষ্কাশনপথ বিশ্লেষণ করে শিল্পবর্জ্য, পৌরবর্জ্য ও গৃহস্থালি পয়োবর্জ্যকে নদীদূষণের অন্যতম উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সব মিলিয়ে গবেষণাগুলো দেখায়, বুড়িগঙ্গার সংকট কেবল দৃশ্যমান ময়লা বা দুর্গন্ধের বিষয় নয়; এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শিল্পবর্জ্য, পয়োবর্জ্য ও অপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার সম্মিলিত চাপ। তাই নদীকে বাঁচাতে শুধু পানি পরিষ্কার করাই যথেষ্ট নয়; দূষণের উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণ করাই হতে হবে মূল লক্ষ্য।
নদীর পানি দূষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রথম প্রভাব পড়ে নদীর জীববৈচিত্র্যের ওপর। পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হলে জলজ প্রাণীর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়। ভারী ধাতু ও অন্যান্য দূষকের উপস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে জলজ পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।
বুড়িগঙ্গার দূষণের প্রভাব শুধু নদীর পানি বা নদীনির্ভর মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে পুরো ঢাকার জনজীবনেও। নদীর পানিতে জমে থাকা পচনশীল বর্জ্য ও অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে দুর্গন্ধ, যা নদীর আশপাশের বসতি ও ব্যস্ত এলাকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে অস্বস্তিকর করে তুলছে।
দূষিত ও স্থবির পানিতে মশার প্রজননের পরিবেশ তৈরি হতে পারে, যা নগরবাসীর জন্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে বর্ষাকালে নদী ও নগরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ফলে নোংরা পানির সংস্পর্শে এসে ত্বকের সমস্যা ও পানিবাহিত রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তাই বুড়িগঙ্গার দূষণকে শুধু একটি নদী রক্ষার বিষয় হিসেবে দেখলে এর পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, জনজীবন, জীবিকা ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিস্তৃত প্রভাবটি আড়ালে থেকে যায়।
বুড়িগঙ্গার দূষণ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বারবার নদীর পাড়ের বর্জ্য কিংবা পয়োনিষ্কাশনের কথা আসে। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আরও বড় একটি বাস্তবতা-ঢাকার ওপর ক্রমাগত বাড়তে থাকা মানুষের চাপ।
একটি সীমিত ভৌগোলিক এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ, শিল্প, ব্যবসা ও নাগরিক কার্যক্রম কেন্দ্রীভূত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ও পরিবেশ রক্ষা-সবকিছুর ওপরই চাপ বাড়ে। বুড়িগঙ্গা সেই চাপের একটি দৃশ্যমান ফলাফল মাত্র।
ঢাকার ওপর মানুষের চাপ কমানোর কথা শুধু নীতিনির্ধারণী আলোচনাতেই নয়, গবেষণাতেও উঠে এসেছে। ২০১৯ সালে Environment and Urbanization ASIA-তে প্রকাশিত ‘City Profile: Dhaka, Bangladesh’ শীর্ষক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, চাকরি ও বিভিন্ন সেবার অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন ঢাকার ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। গবেষকেরা এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড রাজধানীর বাইরে ছড়িয়ে দেওয়া বা বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
২০২৬ সালের একটি গবেষণায় ঢাকার পরিবেশগত চাপ কমাতে শহরের বাইরের অঞ্চলগুলোতে পরিকল্পিত ও বিকেন্দ্রীভূত নগরায়ণের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় একাধিক কেন্দ্রভিত্তিক নগর কাঠামোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে।
একই বছর পূর্বাচল নিউ টাউন নিয়ে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় দেখা যায়, শুধু নতুন আবাসিক এলাকা তৈরি করলেই ঢাকার ওপর নির্ভরতা কমে না। স্থানীয় কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংযোগ না থাকলে বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয় না।
অর্থাৎ মানুষকে শুধু ঢাকার বাইরে পাঠিয়ে দিলেই সমাধান হবে না। প্রয়োজন এমন পরিকল্পিত নগর ও আঞ্চলিক কেন্দ্র তৈরি করা, যেখানে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে। কারণ, একটি ছোট ভৌগোলিক এলাকায় ক্রমাগত মানুষের চাপ বাড়িয়ে রেখে শুধু নদী পরিষ্কার করে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা কঠিন। ঢাকার ওপর চাপ কমানো গেলে বর্জ্য, পয়োনিষ্কাশন ও অন্যান্য নগর সমস্যার ওপরও চাপ কমানো সম্ভব।
বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানোর সমাধান তাই শুধু নদীর পানিতে রাসায়নিক প্রয়োগ কিংবা নিয়মিত পরিষ্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। প্রথমেই বন্ধ করতে হবে নদীতে বর্জ্য ও অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য ফেলার পথ। শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর শোধনাগার নিশ্চিত করতে হবে। নদীর দখল ও অবৈধ স্থাপনা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি ও পানির মান পরীক্ষা করতে হবে।
এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে ঢাকার ওপর মানুষের চাপ কমাতে হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিত শিল্প, ব্যবসা, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করতে হবে। গড়ে তুলতে হবে শক্তিশালী আঞ্চলিক শহর, যাতে মানুষকে জীবিকা ও নাগরিক সুবিধার জন্য রাজধানীনির্ভর হতে না হয়।
তাই বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে হলে শুধু নদীর দিকে তাকালে হবে না; তাকাতে হবে পুরো নগর ব্যবস্থাপনার দিকে।
একসময় এ নদীর স্রোত ঢাকার বাণিজ্য ও জনজীবনকে এগিয়ে নিয়েছিল। আজ সেই নদী বয়ে নিয়ে যাচ্ছে নগরীর বিশাল জনগোষ্ঠীর চাপ ও অবহেলার বোঝা। মৃতপ্রায় নদীটিতে আবার প্রাণের সঞ্চার করতে হলে শুধু পানির পরিবর্তন নয়, পরিবর্তন করতে হবে সেই নগরভাবনাকেও, যে ভাবনা একটি শহরের ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে চলেছে।
বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানোর লড়াই তাই শেষ পর্যন্ত শুধু একটি নদীকে বাঁচানোর গল্প নয়; এটি একটি ভবিষ্যৎ বাসযোগ্য, ভারসাম্যপূর্ণ ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার লড়াই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন