প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছে ফ্রান্স। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ফরাসিদের হারিয়ে স্প্যানিশরা ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
তবে, এই হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ফরাসি দলটির ব্যাপারে আশার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
ম্যাচশেষে সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টে ম্যাক্রোঁ ফাইনালে ওঠায় স্পেনকে অভিনন্দন জানান।
একই সঙ্গে, তিনি কিলিয়ান এমবাপ্পের দলের প্রশংসা করে লেখেন, ‘যোগ্য দল হিসেবে ফাইনালে ওঠায় স্পেনকে সাধুবাদ। দেশের জার্সির মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার আপ্রাণ চেষ্টার জন্য ‘লে ব্লুজ’দের ধন্যবাদ। আজকের এই পরাজয় মেনে নেওয়া কঠিন, তবে এ দলটি এখনো তরুণ এবং এদের সামনে দারুণ ভবিষ্যৎ রয়েছে।’
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ফিনিশিংয়ের যে ঘাটতি ছিল, সেমিফাইনালের মঞ্চে এসে তা কাটিয়ে উঠেছে স্পেন। নিখুঁত রক্ষণ এবং দুর্দান্ত আক্রমণের মিশেলে, ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সকে চেপে ধরে তারা। পুরো ম্যাচে কখনোই মনে হয়নি, খেলা দে লা ফুয়েন্তের দলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে আছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে স্পেনের অন্যতম আবিষ্কার লামিন ইয়ামালকে ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস ডিনিয়ে ডি-বক্সের ভেতর ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে পরাস্ত করে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারজাবাল।
এরপর মিডফিল্ডার দানি ওলমোর একটি দুর্দান্ত থ্রু-বল ধরে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফুলব্যাক পেদ্রো পোরো। ম্যাচজুড়ে অসাধারণ পারফর্ম করে পোরো ম্যাচসেরার (প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ) পুরস্কারও জিতে নেন।
২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার গোলে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটি স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। আগামী রোববার নিউইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের (ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা) জয়ী দলের বিপক্ষে বিশ্বসেরার লড়াইয়ে স্পেনের অংশগ্রহণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন