প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেখ রবিউল আলম বর্তমানে সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেশের যোগাযোগব্যবস্থার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একা পালন করছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি তাঁর বক্তব্যদানে উল্লেখযোগ্যভাবে সামনে এসেছেন। পাশাপাশি, তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন এবং অন্যান্য নানা কারণে আলোচনায় রয়েছেন। যদিও কিছু মানুষ তাঁর সমালোচনা করার চেষ্টা করেছেন, তিনি এসব কথায় কান না দিয়ে কাজ করতেই ব্যস্ত রয়েছেন।
সম্প্রতি ঈদযাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পেছনে তিনি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে নিরলস শ্রম দিয়েছেন। তারপরও তাঁর বিষয়ে আলোচনা চলছেই।
সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে যে দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়েছে, সেটি পালন করা তাঁর লক্ষ্য। তিনি তাঁর মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মসূচি ও প্রকল্পগুলোর বাস্তবতায় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রকেট গতির সঙ্গে তাঁর কর্মক্ষমতা সমানতালে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি কাজ করার সময় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ দেখছেন। কিন্তু তিনি এসব চ্যালেঞ্জকে 'ব্যবস্থাপনা' হিসেবে গ্রহণ করে চলছেন। ফলে, তিনি কোনো চ্যালেঞ্জকে বাস্তব চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানতে নারাজ। তাঁর মতে—‘এভরিথিং ইজ ভেরি গুড’।
গতকাল বুধবার, তিনি সচিবালয়ে এক সাক্ষাৎকারে এভাবেই নিজের ভাবনা তুলে ধরেন।
বর্তমানে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি চলছে এবং এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে আপাতত আমি কোনো মন্তব্য করছি না। সরকার এটি কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করবে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দিয়েছি। বিচ্ছিন্নভাবে আমি কিছু বলতে চাইছি না। আমাদের টার্গেটগুলো পূরণের চেষ্টা করেছি। প্রকৃতপক্ষে তিন মাস কোনো টার্গেট নয়। আমাদের কর্মসূচির সময়সীমা ১৮০ দিন। এর মাত্র অর্ধেক সময় পার হয়েছে, কাজ এখনও চলছে।’
অপর এক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেখান থেকে যতটুকু বলা প্রয়োজন, সেটি প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব মুখপাত্রের মাধ্যমে জানাবেন। তিনি যখন জানতে চাইলেন যে, কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়েছে এবং চ্যালেঞ্জগুলো কী ছিল, তখন তিনি বললেন, ‘কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। এভরিথিং ইজ ভেরি গুড। যেকোনো কাজে চ্যালেঞ্জ থাকে। এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করাটাই হচ্ছে ব্যবস্থাপনা।’
মন্ত্রিপরিষদে রদবদল অথবা কিছু মন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা রয়েছে, এ প্রসঙ্গে আলোচিত মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকের কাজ ও সাধারণ মানুষের কাজ কি এক হয়? সাংবাদিকরা সঠিকটা জানবেন চোখ এবং কান দিয়ে। কিছুটা জানার পর ক্ল্যারিফিকেশন জরুরি। কিন্তু আমি একটি কথা বাজারে শুনেছি, পরে জানতে চাইলাম, তাহলে এর কী উত্তর দেব? এর উত্তর দেওয়ার রুচিও থাকবে না, এর ভিত্তি বা কারণ থাকতে হবে, তাই না?’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন