প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর-১০ গোলচত্বরে জুলাই শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক স্থায়ীভাবে অপসারণের কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি। বরং সংস্কার কাজ শেষে নামফলকগুলোকে আরও সুন্দর, নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
আজ শুক্রবার মিরপুর-১০ নম্বরে ডিএনসিসি আয়োজিত জুলাই গ্রাফিতি রিমেক কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক সরিয়ে ফেলা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রকৃত বিষয়টি স্পষ্ট করতে সংস্থাটি এই বক্তব্য দিয়েছে।
সম্প্রতি মিরপুর-১০ গোলচত্বরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের কারণে সেখানকার পুলিশ বক্সটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পর পুলিশ বক্সটির সংস্কার এবং মিরপুর-১০ এলাকার সার্বিক সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেয় ডিএনসিসি।
চলমান সংস্কার কাজের সুবিধার্থে পুলিশ বক্সের দেয়ালে সংযুক্ত জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলকগুলো সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্দেশনায় সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে।
ডিএনসিসি জানায়, নামফলকগুলো স্থায়ীভাবে অপসারণের কোন উদ্দেশ্য নেই। বরং প্রশাসকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এগুলো নতুনভাবে নকশা করে মিরপুর-১০ গোলচত্বর এলাকায় আরও সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপন করা হবে। এতে পথচারী ও সাধারণ মানুষের কাছে নামফলকগুলো আরও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের অবদান যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা সম্ভব হবে।
জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং যোদ্ধাদের অবদান স্মরণে রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই নামফলকগুলো নতুনভাবে উপস্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানায় ডিএনসিসি।
সংস্কার কাজ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম সম্পন্ন হলে নামফলকগুলো আরও আকর্ষণীয় ও নান্দনিকভাবে স্থাপন করা হবে। তাই সাময়িকভাবে নামফলক সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজবে কান না দিয়ে প্রকৃত বিষয়টি জানার আহ্বান জানিয়েছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ।
উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এই বিষয়গুলোকে সমন্বয় করে মিরপুর-১০ গোলচত্বরকে আরও সুন্দর ও নান্দনিকভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন