প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হেলিকপ্টারে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের প্রত্যন্ত গ্রামে এসে সৌদি আরবের নাগরিক ও ব্যবসায়ী মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানি তার প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের বাড়িতে উপস্থিত হয়েছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের দামলা গ্রামে তার আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই তাকে একনজর দেখার জন্য মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।
মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানি সৌদি আরবের নাগরিক এবং কাউছার মিডলইস্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। তিনি শুক্রবার সকালে হেলিকপ্টারে করে দামলা গ্রামে পৌঁছান এবং পরে কাউছার মিডলইস্ট কোম্পানির কর্ণধার মো. কাউছার মিয়ার বাড়িতে যান।
প্রত্যন্ত একটি গ্রামের বাড়ির কাছে হেলিকপ্টার অবতরণের খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন বয়সের মানুষ সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন। স্থানীয় নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সৌদি অতিথিকে দেখতে ভিড় করেন। অনেকেই স্মৃতি ধরে রাখতে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে এ এলাকার অনেক মানুষের কর্মসূত্রে যোগাযোগ রয়েছে, তবে একজন সৌদি নাগরিককে সরাসরি হেলিকপ্টারে করে গ্রামের বাড়িতে আসতে দেখা তাদের কাছে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। এই কারণেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়।
রতনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার বলেন, "সৌদি আরবের একজন ব্যবসায়ী ও এলাকার একজন মানুষের ব্যবসায়িক সহযোগী হেলিকপ্টারে করে দামলা গ্রামে এসেছেন, বিষয়টি স্থানীয় মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ ও কৌতূহল তৈরি করেছে।" তার আগমনকে ঘিরে গ্রামের মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
কাউছার মিডলইস্ট কোম্পানির কর্ণধার মো. কাউছার মিয়া জানান, সৌদি কফিল মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানির সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক ও কর্মসম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের কারণেই তিনি বাংলাদেশে এসে তার গ্রামের বাড়িতে সময় কাটাতে এসেছেন। একজন সৌদি নাগরিকের নিজ গ্রামের বাড়িতে আগমন তার জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয় বলেও তিনি জানান।
বাংলাদেশে এসে অনুভূতি জানতে চাইলে মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানি বলেন, "বাংলাদেশে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। এখানকার মানুষ খুবই অতিথিপরায়ণ। আমি বেশ আনন্দিত ও উৎফুল্ল।"
একজন বিদেশি ব্যবসায়ীর সঙ্গে গ্রামের মানুষের এমন সরাসরি যোগাযোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয়রা। তার আকস্মিক ও ব্যতিক্রমী আগমনকে ঘিরে শুক্রবার দিনভর দামলা গ্রামজুড়ে আলোচনা ও কৌতূহল ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন