প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বান্দরবানের লামা উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণের কারণে আলাদা পাহাড়ধসের ঘটনার ফলে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনাগুলি ঘটে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায়। নিহতদের মধ্যে রয়েছে একই পরিবারের তিনজন এবং অন্য ঘটনায় একটি দম্পতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে। ওই সময় পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমাতে থাকা একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং ৫ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে, একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫) মারা যান।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনা স্থলে ছুটে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানিয়েছেন, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুদেরসহ পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন এবং সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, তবে অনেকেই সেখানে যেতে অনাগ্রহী রয়েছেন। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সংযোগ ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন