প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামালপুরে মানববন্ধন করেছেন কর্মরত সাংবাদিকরা, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে অবিলম্বে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে।
শনিবার দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামালপুর প্রেসক্লাব। এতে নিহত সাংবাদিক নাদিমের পরিবারের সদস্যসহ জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম, বাবা আব্দুল করিম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানসহ সাংবাদিক ও পরিবারের সদস্যরা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, তৎকালীন সাধুরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর নির্দেশে তার ছেলে ও তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম ফয়সাল রিফাতের নেতৃত্বে সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে মামলার তদন্ত শেষে দেওয়া চার্জশিটে রিফাতসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন আসামিকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
তারা বলেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলায় কোনো আসামিকে তদন্তের বাইরে রাখা যাবে না। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে মামলায় জড়িত সব আসামিকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ জুন রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পরদিন মারা যান।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে তৎকালীন সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বাবু এবং তার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহিম ফয়সাল রিফাতসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলায় জড়িত সব আসামিকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত, দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন