প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শনিবার সকালে নগরীর শহিদ হাসিদ পার্কে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন পূর্বে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। গ্রীন কাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত নানা কার্যক্রমের উপর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর-খুলনা এই ফটো প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যের সময় কেসিসি প্রশাসক বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় প্রতিনিয়ত নানা সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে আইলা, সিডর, আম্ফানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে। মানুষের বাসস্থান ও জীববৈচিত্র্যের যে ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরবর্তী দৃশ্য দেখেছেন, তাদের কাছে প্রদর্শনীর ছবিগুলি খুব পরিচিত। ছবিগুলিতে মানুষের দুর্ভোগ তুলে ধরা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় হিসেবে সর্বত্র পরিচ্ছনতা ও সবুজায়নের আহ্বান জানিয়ে থাকতে বলেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রশাসক জলবায়ু প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পরিবেশ সুরক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন, পাশাপাশি সবুজায়নের জন্য সকলকে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী ইব্রাহীম মো: তৈমুর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো: নজরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুরাইয়া সিদ্দিকা, ইউএনডিপি’র ঢাকাস্থ হেড অব কমিউনিকেশন মো: আব্দুল কাইয়ুম, প্রকল্পের ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার আব্দুল হান্নানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ বক্তৃতা করেছেন। এর পরে কেসিসি প্রশাসক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী আলোকচিত্রী এবি রশীদের ফটোগুলি ঘুরে ঘুরে দেখেন।
এখন উল্লেখ্য যে, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইউএনডিপি বাংলাদেশ যৌথভাবে জিসিএফ এর অর্থায়নে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার ৫টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর, বিশেষ করে নারীদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, সুপেয় পানি প্রাপ্তি সহজীকরণ এবং জীবিকায়নের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবনাক্ততার প্রভাবের সাথে খাপ খাইয়ে চলা। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শেষ হলে ৫টি উপজেলার ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ২২৯ জন মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন