প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রিকেটে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএসে যে সব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে একটি স্নিকো। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাট বা প্যাডে বলটি সূক্ষ্মভাবে লেগেছে কিনা, সেটা নির্ণয় করা হয়। ফুটবলেও এবার সেই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা গেছে সুইডেন-তিউনিসিয়া ম্যাচে।
ম্যাচের ৮৪ মিনিটে মাটিয়াস সভানবার্গ দুর্দান্ত একটি গোল করে স্কোরশিটে নাম তোলেন। কিন্তু এরপরের মুহূর্তেই অফসাইডের কারণে রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন। পরবর্তীতে স্নিকো’র মাধ্যমে দেখা যায় যে, সভানবার্গের কাছে পৌঁছানোর আগে বলটি আলেকসান্দার ইসাকের বুটে হালকা ভাবে লেগে গিয়েছিল। খালি চোখে এটি দেখা সম্ভব না হলেও, পরবর্তী সময়ে ভিআর এর মাধ্যমে সেটি ধরা পড়ায় সুইডেন গোলটি পেয়ে যায়।
নাটকীয় এই গোলে সভানবার্গ রেকর্ডবুকে জায়গা করে নিয়েছেন। কারণ গোলটি তিনি করার ঠিক কিছুক্ষণ আগেই মাঠে নেমেছিলেন। বিবিসি লাইভের তথ্য অনুযায়ী, মাঠে নামার ১২ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেছেন সভানবার্গ। এই হিসেবে এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে বদলি খেলোয়াড়দের সবচেয়ে দ্রুত গোল।
তবে সভানবার্গের এই গোলের সময়ের হিসাব নিয়ে কিছুটা দ্বিমত রয়েছে। ফুটবলের তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপটার মতে, সভানবার্গ গোল করেছেন মাঠে প্রবেশের ১৮ সেকেন্ডে। আর সে হিসেবে এটি হবে দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। ২০০২ বিশ্বকাপে সেনেগালের বিপক্ষে উরুগুয়ের রিচার্ড মোরালেস বদলি নেমে ১৬ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন।
ক্রিড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, সভানবার্গ গোলটি করেছেন মাঠে নামার ১৬ সেকেন্ডে। এই হিসেবে এটি হবে বিশ্বকাপের যৌথ দ্রুততম গোল। তবে শেষ পর্যন্ত, কোনটি আসল রেকর্ড হিসেবে তালিকাভুক্ত হবে, সেটি জানা যাবে ফিফার প্রতিবেদনে।
সাভানবার্গের এই রেকর্ড গোলের ম্যাচে সুইডেন তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে। ‘এফ’ গ্রুপে তিন পয়েন্ট নিয়ে সুইডেনই এখন শীর্ষে। একই গ্রুপের অপর ম্যাচে নেদারল্যান্ডস-জাপান ২-২ ড্র করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন