প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নির্মাণের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও সিরাজগঞ্জের পৌর কাঁচাবাজার এখনো চালু হয়নি। পাশাপাশি, স্টেডিয়ামের সামনে নির্মিত আরেকটি বাজারও দুই বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলিত অবস্থায় থাকার কারণে এসব স্থাপনার বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে।
২০১৯ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ফজলুল হক রোডে পৌর কাঁচাবাজারের নির্মাণ কাজ শুরু করে। দুইতলা বিশিষ্ট এই মার্কেটের নির্মাণ কাজ ২০২১ সালে সম্পন্ন হয়। নিচতলায় ১১৬টি মাছ, মাংস, মুরগি, কাঁচা তরকারি ও ফলমূলের দোকান রয়েছে, এবং দোতলায় আরও ৭৮টি দোকান রয়েছে। কিন্তু নির্মাণের পাঁচ বছর পরেও বাজারটি চালু করা সম্ভব হয়নি, ফলে এর মূল্যবান মালামাল নষ্ট হচ্ছে।
এছাড়াও, স্টেডিয়ামের সামনে নতুন নির্মিত বাজারটি দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এই বাজারে ৪টি ব্লকে মোট ৪৮টি দোকান রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম জানান, নতুন বাজারটি মূল বাজার থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কিন্তু তবুও কোনো ব্যবসায়ী এখানে আসছেন না। দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকার কারণে এসব ভবনের মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, মাদকসেবীদের আড্ডা হয়ে উঠেছে অব্যবহৃত এসব স্থাপনা।
সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অমর কৃষ্ণ দাস মন্তব্য করেন, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা ও কোনো সমীক্ষা ছাড়াই বাজার নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করায় এই দুটি বাজার কোনো কাজে আসছে না। এ কারণে ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ নিয়েও তারা দোকান চালু করছেন না।
তবে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে দ্রুত নতুন নির্মিত বাজার দুটি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
সিরাজগঞ্জ পৌর কাঁচাবাজার নির্মাণের ব্যয় প্রায় ১২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে, স্টেডিয়ামের সামনের বাজারটি প্রাণিসম্পদ বিভাগ নির্মাণ করে সিরাজগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন