প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বুধবার ভোর ৬টার দিকে উপজেলার জামতৈল পূর্ব বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, ঝলক মারার কারণে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে ভাতের হোটেল, মিষ্টির দোকান, সেলুন, ইলেকট্রনিকস ও মনোহারি দোকানসহ সাতটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন মাটির আসবাবপত্রের দোকানদার লাল মোহন, সেলুনের দোকানদার রতন দাস, মনোহারী দোকানদার রেজাউল করিম, মিষ্টির দোকানদার চাঁন মিয়া, ভাতের হোটেলের লাল মিয়া, ইলেকট্রনিকের দোকানদার রিপন এবং মিষ্টির দোকানদার শাহজাহান। খবর পেয়ে স্থানীয়রা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু ততক্ষনে সব দোকানই পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, পুড়ে যাওয়া দোকানের মালামাল এবং নগদ অর্থসহ সবকিছু আগুনের মাধ্যমে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। ভাতের হোটেল এবং মিষ্টির দোকানের মালিক লাল মিয়া বলেন, ‘আমাদের দুইটি দোকান ছিল। প্রায় ১৮-২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ফ্যান, চাল, মিষ্টিসহ সব পুড়ে গেছে। এখন আমরা সরকারের সহযোগিতা চাই।’ ইলেকট্রনিকস দোকানদার রিপন বলেন, ‘ফ্যানসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল ছিল, সব শেষ হয়ে গেছে।’
মনোহারি এবং বিকাশের দোকানদার রেজাউল করিম বলেন, ‘বিকাশের টাকা, কার্ড এবং মালামাল সব পুড়ে গেছে। আমার প্রায় ৫-৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’ তার ভাষ্যমতে, প্রায় ৭টি দোকানে ৪০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। সেলুন এবং আসবাবপত্র দোকানের মালিক লাল মোহন জানান, তার প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ, সব শেষ হয়ে গেছে।’ কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার বেশি সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন