প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে ইরানের ওপর হামলা চালাতে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া নিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে। দেশটির বার্তা সংস্থা ফার্স তাদের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রদত্ত খবরে দেখা যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার একটি বিবৃতিতে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে ইরানের ওপর হামলা করার উদ্দেশ্যে নিজেদের ভূখণ্ড এবং সুবিধা ব্যবহার করতে বাধা দেওয়া হলো অঞ্চলের সরকারগুলোর জন্য একটি আইনি, ধর্মীয় ও নৈতিক কর্তব্য।’
এছাড়াও বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘সামুদ্রিক অবরোধের ধারাবাহিকতা এবং ইরানের সামরিক উদ্দেশ্য, বেসামরিক এলাকা ও অবকাঠামোর ওপর হামলা একটি ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড’ এবং জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন। এ কারণে ইরান তার বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে।’
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
আরাগচির কর্মকর্তার অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি ‘মার্কিন সামরিক বাহিনীর যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপের’ বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন।
তিনি এসময় জোর দিয়ে বলেছেন, ইরান ‘তার জাতীয় সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা’ রক্ষায় প্রস্তুত রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের ‘দৃঢ় জবাব’ দেবে।
এদিকে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের সতর্কবার্তার পাল্টা হিসেবে একটি বিবৃতি দিয়েছে ইরাকের সরকার।
তারা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘প্রতিহত করতে’ তাদের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ এড়াতে এবং ওয়াশিংটনের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা হিসেবে ইরান যখন উপসাগরীয় দেশগুলোতে আক্রমণ পরিচালনা করছে, সে সময়ে এই বিবৃতিটি সামনে এসেছে। সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন