প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফাইল ছবি
জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তিতে গতি আনতে নতুন পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়।
এনআইডি সংশোধনের আবেদনগুলো এখন অনলাইনে যাচাইযোগ্য জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), মাধ্যমিক অথবা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তারিখে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশনস) মো. সাইফুল ইসলামের সই করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে গ্রহণ করা এনআইডিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনগুলোকে ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।
এসব আবেদন মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন অফিসার এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকগণ সরাসরি নিষ্পত্তি করবেন।
শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য বা দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রে গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুসরণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিপত্রে এও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আবেদন ইলেকট্রনিকালি অনুমোদন বা বাতিলকরণের সময় সিএমএস-এ আবশ্যিকভাবে নোট দিতে হবে।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাগণ তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সম্পাদিত কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করবেন। প্রতি মাসে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রত্যেক নিষ্পত্তি করার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদন সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা যাচাই করে প্রতিবেদন পরিচালক (অপারেশনস)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে পাঠাবেন।
এছাড়া, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুসারে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্মতারিখসহ নিজের নাম, বাবা ও মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদনগুলো মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে।
জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং বাবা-মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার কোনো সংশোধন করা যাবে না বলে পরিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনার ফলে মাঠপর্যায়ে সাধারণ নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনসংক্রান্ত ভোগান্তি ও অপেক্ষার সময় অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন