প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝিনাইদহের কালিগঞ্জে থানার সামনে শাহারিয়ার আলম সোহাগ ও মিশন আলী নামের দুটি সাংবাদিকের ওপর হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার ঘটনা ঘটে শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে। ঘটনাস্থলে কালিগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। আহতদের মধ্যে শাহারিয়ার আলম সোহাগ দীপ্ত টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি এবং মিশন আলী নাগরিক টিভির জেলা প্রতিনিধি। সাংবাদিক মিশন আলী বলেন, "তিনদিন আগে শহরের আড়পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মিলন হোসেন নামে এক যুবককে মারধর করে অজ্ঞাত কয়েকজন যুবক। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আড়পাড়া এলাকার মিঠু ও ইয়াসিন নামের দুই যুবককে থানায় নিয়ে আসেন পুলিশ।" এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে এলাকাবাসী থানায় এসে পুলিশের সঙ্গে কথা বলার জন্য উপস্থিত হয়। এসময় ওসি জেল্লাল হোসেন কৃষকদলের বহিষ্কৃত নেতা জালাল উদ্দিন ও শাহিন লস্করকে ফোন দিয়ে থানায় ডেকে আনেন। এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কালীগঞ্জ থানার সামনে যান সাংবাদিকরা। সে সময় যুবদল ও কৃষকদলের কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় আসা নারীদের ওপর হামলা করে। এ হামলার ভিডিও ধারণ করতে গেলে উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ভিডিও করতে নিষেধ করেন। ভুক্তভোগী এ সাংবাদিক আরও বলেন, "কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিন বিএনপিদের কোনো ভিডিও করা যাবে না বলে হুমকি দেওয়ার পর তার নেতৃত্বে হাসান, টিটো এবং রবিউল আমাকে মারধর করে।" হামলায় শিকার অপর সাংবাদিক শাহরিয়ার আলম সোহাগ বলেন, "হামলার পর ওসি তাকে গ্রেফতার না করে সেফ এক্সিট দিয়েছে। ওসি জালাল, শাহীন লস্করসহ কয়েকজনকে ডেকে এনে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন।" এ বিষয়ে কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, "পৌর এলাকার আড়পাড়া গ্রাম থেকে মাদক মামলার আসামি আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। খবর পেয়ে ওই গ্রামের নারী ও পুরুষরা থানা ঘেরাও করার চেষ্টা করে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন