প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইকুয়েডরের কুখ্যাত অপরাধী চক্র ‘লস চোনেরোস’-এর আঞ্চলিক নেতা ডেভিড মাসিয়াসকে বন্দুকধারীরা হত্যা করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার পুলিশ কর্মকর্তার ছদ্মবেশ ধারণ করা হামলাকারীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। ঘটনা ঘটেছে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের ওলোন শহরে। ৩৫ বছর বয়সী ডেভিড মাসিয়াস ‘লস চোনেরোস’-এর একজন আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুলিশের পোশাক পরা কয়েকজন বন্দুকধারী তার ভাড়া করা বাড়িতে ঢুকে তাকে হত্যা করে এবং হামলার পর তারা পালিয়ে যায়। বর্তমানে এ ঘটনায় কাউকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি। ডেভিডের ভাই অ্যাডলফো মাসিয়াস, যিনি ‘ফিতো’ নামে পরিচিত, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বিচারাধীন রয়েছেন। গত বছর তাকে ইকুয়েডর থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ‘লস চোনেরোস’কে একটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইকুয়েডরে মাদক চক্রগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার করে সংঘর্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সদস্য বা নিজেদের দলের লোকদের হাতে গ্যাং নেতারা প্রায়ই হামলার শিকার হয়ে থাকেন। গত মাসে গুয়াকিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে এক গ্যাং নেতা বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডেভিড মাসিয়াস ২০১৮ সালে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছিলেন। কারাগারে অবস্থানকালে তিনি ‘লস চোনেরোস’-এর জন্য নতুন সদস্য সংগ্রহে কাজ করেন এবং একটি কারাগারে গ্যাংটির শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখেন। গত বছর অ্যাডলফো মাসিয়াস এবং গত মাসে কলম্বিয়ায় তাদের আরেক ভাই হাভিয়ের মাসিয়াস গ্রেপ্তার হওয়ার পর ডেভিডের হত্যাকাণ্ড ‘লস চোনেরোস’-এর জন্য একটি নতুন বড় আঘাত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন