প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে অর্থ দিতে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর ওপর চাপ বাড়াতে নতুন আইন পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্টে ‘নিউজ বার্গেইনিং ইনসেনটিভ’ নামে আইনটি পাস হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।
আইন অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় সংবাদ ও সার্চ সেবা পরিচালনাকারী বড় প্রযুক্তি কম্পানিগুলো যদি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি না করে, τότε তাদের বিজ্ঞাপন আয়ের ওপর ২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হবে।
এই তালিকায় রয়েছে মেটা, গুগল, টিকটক ও মাইক্রোসফটের লিংকডইন। অস্ট্রেলিয়ায় যেসব প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন থেকে বছরে ২৫ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বেশি আয় হয় এবং যাদের উল্লেখযোগ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সার্চ সেবা রয়েছে, তাদের ওপর এই ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে।
তবে চুক্তি করলে শুল্ক এড়ানোর সুযোগ থাকছে। আইন অনুযায়ী, কোনো প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মকে অন্তত আটটি ভিন্ন স্থানীয় সংবাদ প্রকাশকের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। এসব চুক্তিতে সংবাদ তৈরির কাজ বা অনলাইনে সংবাদ কনটেন্ট প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যয় থাকতে হবে।
বড় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে করা চুক্তির ব্যয় শুল্কের দায়ের ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত এবং ছোট ও মাঝারি সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত সমন্বয় করা যাবে।
তবে কোনো একটি চুক্তির মাধ্যমে মোট দায়ের ২৫ শতাংশের বেশি সমন্বয় করা যাবে না।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনটির মাধ্যমে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করার বিষয়টি আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। নির্দিষ্ট আর্থিক সময়সীমার মধ্যেই এসব চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
সরকারের মতে, প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোতে সংবাদ কনটেন্ট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করা হয় এবং এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন থেকে আয়ও বাড়ে। তাই সেই আয়ের একটি অংশ স্থানীয় সাংবাদিকতা ও সংবাদ উৎপাদনে ফেরানো প্রয়োজন।
নতুন এই আইন অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থের উৎস তৈরি হবে বলে আশা করছে দেশটির সরকার।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে প্রযুক্তি কম্পানিগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া এর আগেও পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার নতুন আইন করে সেই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন