প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপানে জনসংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছে। ২০২৫ সালের আদমশুমারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরের মধ্যে দেশটির জনসংখ্যা কমেছে প্রায় ৩১ লাখ। জনসংখ্যা হ্রাসের এই ধারাটি টানা তৃতীয়বারের মতো রেকর্ড করেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটি রোবোটিক্স এবং বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে।
জাপান বর্তমানে জনসংখ্যার এক নীরব সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত জাপানের জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৩০ লাখ ৪৯ হাজার ৫২৪ জন, যা ২০২০ সালের তুলনায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৫ জন কম।
১১৯ বছরের আদমশুমারির ইতিহাসে এত বড় পরিবর্তন আর কখনো দেখা যায়নি।
জাপানে জনসংখ্যা কমার প্রবণতা নতুন নয়, তবে বর্তমানে এই হ্রাসের গতি সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ২০০৮ সালের পর থেকেই জনসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমে চলেছে। তবে ২০১৫ সালে দেশটিতে জনসংখ্যা কমার হার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। এরপর ২০২৫ সালে টানা তৃতীয়বারের মতো জনসংখ্যা কমে গেছে জাপানে।
জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মহার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়া এবং কর্মক্ষম জনগণের সংখ্যা হ্রাসই এই সংকটের মূল কারণ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই আদমশুমারির চূড়ান্ত ও বিস্তারিত পরিসংখ্যান প্রকাশ করবে।
যদি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জনসংখ্যার শীর্ষ তালিকায় অবস্থান হারানোর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে জাপানের জন্য।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই নীরব বিপর্যয় আগামী বছরগুলিতে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটি রোবোটিক্স এবং বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন