প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুরে ৫০০ বস্তা ডিএপি এবং এমওপি সরকারি সার জব্দ করেছে ট্রাফিক পুলিশ। এ সময় সার বহনকারী ট্রাকটিও জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড় এলাকায় সার ও ট্রাক জব্দ করে পুলিশ। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে সারসহ ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
ফরিদপুর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট প্রশান্ত কুমার মৌলিক জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো শহরে চলাচলকারী যানবাহনের কাগজপত্র চেকিংকালে সার বহনকারী একটি ট্রাকের কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়। ওই ট্রাকের চালক গাড়ির কাগজপত্র দেখালে সেটি সঠিক পাওয়া যায়। তবে ওই সময় গাড়িতে কিসের মালামাল রয়েছে জানতে চাইলে চালক জানান যে, সার রয়েছে। ফরিদপুর সরকারি গোডাউন থেকে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরে সার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
চালক জানিয়েছেন, গাড়িতে ৪৫৬ বস্তা ডিএপি ও ২০ বস্তা এমওপি সার রয়েছে। ওই সারের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি কোনো সঠিক চালান দেখাতে না পারায় সারসহ গাড়িটি জব্দ করে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, সারের চালানের কোনো কাগজপত্র না থাকায় সারসহ ট্রাকটি থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে ট্রাকে থাকা সারের ৬ জন ডিলারের কাগজপত্র নিয়ে আসেন ট্রাকচালক। চালানের কাগজ সঠিক থাকায় রাতেই সারসহ ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে একাধিক সূত্র জানাচ্ছে যে, একটি গাড়িতে ৬ জন ডিলারের সার যাওয়ার কথা নয়। সরাসরি ডিলারের কাছে সার পৌঁছানোর কথাও নয়, বরং সার যাবে গোডাউনে। একজন ডিলারও থানায় আসেনি। ট্রাকের চালক নিয়ে এসেছে কাগজ, যা তিনি আগে দেখাতে পারেননি; এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কেউই কথা বলতে রাজি হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন