প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা বর্ষণের কারণে এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে উৎপাদন পূর্বের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টার পরিমাপ অনুযায়ী কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৪টি ইউনিটই সচল রয়েছে। এই ৪টি ইউনিট থেকে বর্তমানে মোট ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক আহমেদ জানান, বর্তমানে কেন্দ্রের ৫টির মধ্যে ৪টি ইউনিট সচল রয়েছে। এর মধ্যে ১নং ইউনিটে ৩৫ মেগাওয়াট, ২নং ইউনিটে ৩৪ মেগাওয়াট, ৪নং ইউনিটে ২৮ মেগাওয়াট এবং ৫নং ইউনিটে ২৮ মেগাওয়াটসহ মোট ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, 'বর্তমানে রুলকার্ভ (পানির পরিমাপক নির্দেশিকা) অনুযায়ী কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর রয়েছে ৭৯ দশমিক ৯ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। বৃষ্টিপাত এভাবে অব্যাহত থাকলে এবং হ্রদের পানির স্তর আরও বৃদ্ধি পেলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।'
উলেখ্য, সম্পূর্ণ পানির ওপর নির্ভরশীল কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে পানির সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় উৎপাদন সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকলেও বর্ষা শুরু হওয়ায় কেন্দ্রটিতে আবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন