বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৮:৪২ পি.এম
দেশের নদী ও নদী অববাহিকার ওপর বৈশ্বিক উষ্ণতার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই অবনতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীবাশ্ম জ্বালানি বিস্তারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এবং সচেতনতা তৈরি করতে টনি, যিনি অভিযাত্রী, ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকা থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে হেঁটে যাবেন। এই অভিযান কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে শুরু হবে এবং ভোলার চরফ্যাশনের চর কুকরিমুকরিতে শেষ হবে, উক্ত অভিযান আগামী ২৪ জানুয়ারি (শনিবার) শুরু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এই সম্মেলনটির শিরোনাম ছিল 'নদীতে প্রাণের কান্না : বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে দাঁড়াও'। পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এই সম্মেলনের আয়োজন করে। অভিযানের সহযোগিতায় ধরা ও বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব (বিএমটিসি) যুক্ত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে যায়নি টনি, নদীর পাড় ধরে কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ভোলার চরফ্যাশনের উদ্দেশে এই অভিযান পরিচালনা করবেন, যেখানে তিনি ১১টি জেলা অতিক্রম করবেন। যাত্রার সময় বিভিন্ন স্থান থেকে পরিবেশ কর্মীরাসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করবেন। এই অভিযান ২৪ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি সম্পন্ন হবে।
অভিযানের টনি জানান, 'যতদূর আমার চোখ যায়, তা আমি হেঁটে দেখার চেষ্টা করবো। আমার জন্ম নাটোরে বড়াল নদীর অববাহিকায়, কিন্তু সেখান থেকে আমি দেখে আসছি শুধুমাত্র পঁচা নর্দমা। এই নদীকে দেখবার জন্য আমার মধ্যে একটি ক্ষুধা ছিল।'
তিনি আরো বলেন, 'আমি আন্দাজ করি এই অভিযান চলাকালে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার এর পারাপার করতে হবে। আমি চেষ্টা করবো নদীগুলোর অববাহিকা ধরে হাঁটার জন্য। তবে নদীর পাড়ের সমস্যার কারণে নির্দিষ্ট রুট খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিছু জায়গায় নদী দখল হয়ে গেছে অথবা সেখানে বাড়িঘর বা শিল্প কারখানা নির্মিত হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে পুরো পথ ধরার সুযোগ নাও থাকতে পারে। তবে আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে নদীর অববাহিকায় হাঁটতে।'
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, ধরার উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার নদী ও খালের যন্ত্রণার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'টনি যে পথটিতে যাচ্ছেন, সেটি সাধারণ স্থান নয়। একজন নাগরিকের অধিকার আছে, কিন্তু নদীর ক্ষতিগ্রস্ত চিত্র দেখলে তিনি আহত হবেন। তাই প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।'
নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আরো বলেন, 'এই ধরনের ভ্রমণ একটি উদাহরণ হবে। গত দেড়-দুই বছরে দেখছি, তরুণদের প্রবৃদ্ধি সত্যিই প্রশংসনীয় এবং এই উদাহরণে অনুপ্রাণিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ নদী অনুসরণ করবে।'
বিএমটিসির প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক বলেন, 'রৌমারী অঞ্চলে একসময় প্রচুর রুই মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু এখন প্রকৃতির ক্ষয়প্রাপ্তির কারণে এ মাছের স্বাদও পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের পরিবেশের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।'
তিনি অভিনন্দন জানান টনিকে, 'এই অভিযানে অনেক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ হবে, এবং এ অভিজ্ঞতা জীবনের অমূল্য সঞ্চয়।'
শরীফ জামিল, যিনি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য উপস্থাপন করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীর অবস্থা তুলে ধরেন এবং বলেন, 'জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারকে ফিরিয়ে দিতে হবে যাতে নদী বাঁচানো যায়।'
রিভারাইন পিপলের প্রতিষ্ঠাতা শেখ রোকন বলেন, 'টনির অভিযান নদীর সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে সুসংহত করবে।'
নিখিল চন্দ্র ভদ্র বলেন, 'মেট্রোপলিটন এলাকার অবস্থান বিপর্যস্ত হয়ে গেছে। এ অবস্থা রক্ষা করতে হবে।'
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন কিছু বিশিষ্ট অতিথি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আজ আমি আপনাদের সামনে এসেছি একটি সুযোগের আশায়। আমি এর আগে রাষ্ট্রীয় কোন দায়িত্বে ছিলাম না এবং কোন সাংগঠনিক গুরুদায়িত্ব পালন করিনি। আমি শুধু আপনাদের কাছে একটি সুযোগ চাই। আমাকে একটি ভোট দিন। আমাকে কাজ করার সুযোগ দিন। আমি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এবং আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে জীবনের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা চালাবো, ইনশাআল্লাহ।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলাবাজার পুস্তক সমিতি ও পুস্তক বিক্রেতা সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই কথা বলেন।
ইশরাক আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন ও সংগ্রামে রত ছিল। গুম, খুন, হত্যা, জেল সহ আমরা প্রচুর নির্যাতনের শিকার হয়েছি। শুধু বিএনপি নয়, যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন, তারা সকলেই একই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছেন।’
এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকার সমস্যার উল্লেখ করে বলেন, ‘পুরান ঢাকার রাস্তাঘাটের ট্রাফিক জ্যাম, জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট, আবর্জনা ব্যবস্থাপনা ও দূষণের সমস্যা সমাধানের জন্য আমি কার্যকর পদক্ষেপ নেব। এছাড়াও শিক্ষাব্যবস্থা এবং ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলোর সমাধান করার জন্যও আমি উদ্যোগ নেব।’
ইশরাক বলেন, ‘গণতন্ত্রে বিশ্বাসী একটি দল হিসেবে, আমরা চাই যে নির্বাচনের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবেন, তাদের দায়বদ্ধতা বজায় থাকুক। সব ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রের চর্চা হোক।’
তিনি ভোট প্রার্থনা করে বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে একটি ভোটের আবেদন করছি। মহান আল্লাহ যেন আমাকে সেই সুযোগ দেন, যাতে আমি দেশের কল্যাণে কিছু ভালো কাজ করতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একজন বিশ্বাসী রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, ‘সঞ্জীবন প্রকল্প’-এর অধীনে ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের জন্য জাপানিজ ভাষা শিক্ষার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তর থেকে অনলাইনে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন। এই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম ৯০ দিন মেয়াদি হবে এবং আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
মহাপরিচালক উদ্বোধনী ভাষণে জানান, ‘এই জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ কারিকুলাম হবে একটি হাইব্রিড ও পুরোপুরি ব্যতিক্রমী প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, যা আনসার-ভিডিপির অন্যান্য প্রচলিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন। প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য এটি হবে এক নিবিড়, আবাসিক এবং ব্যবহৃত ভাষার শিক্ষার উদ্যোগ।’
তিনি আরও বলেন, ‘৬০ লাখ সদস্যের এই বাহিনীটি তার পরিবারের সদস্যসহ প্রায় ৩ কোটি মানুষের জন্য ধাপে ধাপে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
এছাড়া তিনি জানান, প্রশিক্ষণ শেষে আনসার-ভিডিপি কল্যাণ ট্রাস্ট জাপানিজ ভাষার উচ্চতর সার্টিফিকেশন পরীক্ষার ফি প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারি আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তরে বাহিনীর সদস্যদের জাপানিজ ভাষার শিক্ষা জন্য স্কিল আপ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্কিল আপ একটি দক্ষতা উন্নয়ন ও পরামর্শমূলক প্রতিষ্ঠান, যা বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করতে কাজ করছে।
আনসার-ভিডিপি একাডেমির খুলনা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রংপুরের পাঁচটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রতিটি কেন্দ্রে ৪০ জন করে মোট ২০০ জন শিক্ষার্থী এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করছে স্কিল আপ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ ও দক্ষ জাপানিজ ভাষার প্রশিক্ষকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ ও তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপিয়ান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (ইউরোচেম)-এর চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজ।
আজ বৃহস্পতিবার, সচিবালয়ের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়।
এ সময়, বিভিন্ন কোম্পানির প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের উৎপাদনকারী সম্প্রসারিত দায়িত্ব নিয়ে চূড়ান্ত নির্দেশিকা তৈরিতে মতামত দিতে প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশ একটি বাস্তবসম্মত এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী টেকসই ও ন্যায্য ফ্রেমওয়ার্ক গঠনে আগ্রহী। প্রতিযোগিতামূলক বৈষম্য রোধের জন্য একটি একক ও অভিন্ন কমপ্লায়েন্স কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি। সবার সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিতের অনুরোধও করেন।
তিনি দ্রুত সময়ে স্টেকহোল্ডার সভা আয়োজন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন এবং প্রতিবেশী দেশের আইন পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশনা পরিবেশ অধিদপ্তরকে দেন।
নুরিয়া লোপেজ বলেন, ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর সহযোগিতার জন্য বৈশ্বিক অঙ্গীকার রয়েছে। বাজারে ন্যায্য প্রতিযোগিতা এবং ১০০ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্যাকেজিং নিশ্চিত করার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করেছে। ইনজুরির কারণে দলের দুই সদস্য টনি ডি জর্জি ও দনোভান ফেরেইরা বাদ পড়েছে। তাদের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন রায়ান রিকেলটন এবং ত্রিস্টান স্টাবস।
১২ জানুয়ারি ঘোষিত দলের তালিকায় ত্রিস্টান স্টাবসের অনুপস্থিতি ছিল আকর্ষণীয়, আবার রিকেলটনও ভালো ফর্মে থাকার পরও দলে ছিলেন না। তবে এখন তারা দুজনেই দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। রিকেলটন তার দলে গুনগত পারফরম্যান্স দেখিয়ে এসএ২০ লিগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন। যদিও সাম্প্রতিক কিছু খেলায় তার পারফরম্যান্স কিছুটা হ্রাস পেয়ে ছিল।
টনি ডি জর্জি হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে দলের বাইরে রয়েছেন এবং তার দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কোনো নির্দিষ্ট খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, দনোভান ফেরেইরা এসএ২০ লিগে কাঁধের আঘাতে ভুগছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার ‘ডি’ গ্রুপে অবস্থান থাকার কারণে, ৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে আহমেদাবাদের মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ কানাডা। বিশ্বকাপের আগে এই পরিবর্তন দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, তবে নতুন সুযোগ পাওয়া রিকেলটন ও স্টাবস দলের শক্তি বাড়াতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরা হলেন: এইডেন মারক্রাম (অধিনায়ক), কুইন্টন ডি কক, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, ডেভিড মিলার, ত্রিস্টান স্টাবস, রায়ান রিকেলটন, জর্জ লিন্ডে, মারকো ইয়ানসেন, কোরবিন বোশ, লুঙ্গি এনগিদি, কাগিসো রাবাদা, কেশভ মহারাজ, এনরিখ নরকিয়া, কুয়েনা মাফাকা ও জেসন স্মিথ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ