প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্তত ২০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত ‘বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস’-এ এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী এক দিনের মধ্যে এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিনে পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব নদীর পানি কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বা স্বল্পমেয়াদি বন্যার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানির পরিমাণও বাড়ছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে এ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং তৃতীয় দিনে পানি স্থিতিশীল অবস্থায় থাকতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব নদীর পানি কিছুক্ষেত্রে বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে অথবা চলমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর পানির পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী তিন দিনে এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আত্রাই নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে নওগাঁ জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া আত্রাই নদী নাটোর ও সিরাজগঞ্জ এবং ছোট যমুনা নদী নওগাঁর কিছু স্থানে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কিছু সময়ের জন্য প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা অববাহিকার নদ-নদীগুলোর পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী তিন দিনে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি বেড়ে যেতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন এটি স্থিতিশীল থাকতে পারে। একই সময়ে গঙ্গা-পদ্মার পানিও আগামী পাঁচ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এটি নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার এক দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন