প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় তিনজন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, এর মধ্যে একটি শিশু রয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। ১জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) দিবাগত রাতে, ঢাকার আশুলিয়ার নইহাটি এলাকায়, ১৩ বছরের একটি শিশু বাড়ির পাশে টিউবওয়েলে পানি আনতে বের হয়। এসময় পশুরাম মনিদাস ও তার স্ত্রী তপসা রানীর সহায়তায় শিশুটিকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে।
অপরদিকে, একই রাতের ঘটনায় আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় ১০ বছরের একটি মেয়েকে সৎ বাবার মাধ্যমে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেপ্তার করা সৎ বাবার নাম জহুরুল ইসলাম (২৭), যিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৮ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে ভুক্তভোগী মেয়েটিকে ঘরে একা পেয়ে তার সৎ বাবা জহুরুল ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে জহুরুল ইসলামকে আটক করে রাখে। এরপর স্থানীয়রা আশুলিয়া থানা-পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, ঢাকার সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ধরেন্ডা কমলাপুরের ঢাল এলাকা থেকে রক্তাক্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় এক যুবতী (২৪) উদ্ধার হয়েছে, পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় যুবতীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যুবতীর ওপর পাশবিক নির্যাতন (ধর্ষণ) চালানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার পঞ্চমহলা গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, রোববার (২৮ জুন) দিবাগত রাতে আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ধরেন্ডা কমলাপুরের ঢালে ওই যুবতী রক্তাক্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাকে সেখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
মেয়েটির চিৎকারের শব্দ শুনে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কমলাপুর বাজারে নিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে সাভার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন