প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি মধ্যপ্রাচ্যে সফর শুরু করেছেন, যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিনে দেখতে যাচ্ছেন। তার সফরের একটি প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সংঘাত বন্ধে কাজ করছেন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা।
সফরের প্রথম অংশে মারফি কাতারে পৌঁছেছেন। পরবর্তীতে তিনি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে যাবেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনি মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন।
মারফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তায় তার সফরের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য তুলে ধরেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রথমত, মার্কিন সিনেটের সদস্যদের জন্য সরেজমিনে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোতে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য স্থাপনায় হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, কাতার ও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবেন মারফি। একই সঙ্গে সংঘাত বন্ধের প্রচেষ্টা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবেন তিনি।
তৃতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিষয়ে নতুন করে ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মারফি বলেন, "যুদ্ধ যখন তীব্রভাবে চলছে, তখন দুই দলের মার্কিন সিনেট সদস্যদেরই মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকা গুরুত্বপূর্ণ।"
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ও কূটনৈতিক স্থাপনা যুদ্ধের প্রভাবের মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিদর্শক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনার শত শত ভবন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন