প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান হামলার ফলে আহতের পর থেকে অনুপস্থিত থাকা ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সম্প্রতি জনসমক্ষে আসতে পারেন। ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্মরণসভায় আগামী সপ্তাহে তেহরানে তার উপস্থিতির সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।
ইরানি গণমাধ্যম সূত্র জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলায় তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হওয়া ৮৬ বছর বয়সি সাবেক শীর্ষ নেতার স্মরণসভাটি তার উত্তরসূরির পক্ষ থেকে আয়োজন করা হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে, শহীদ নেতার স্মরণে ইসলামিক বিপ্লবের বর্তমান নেতা মোজতবা খামেনি মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তেহরানের মুসাল্লায় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত একটি বিশেষ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে।
গত সপ্তাহে আলী খামেনির মৃত্যুতে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম জানাজা ও শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হলেও সেখানেই নতুন শীর্ষ নেতাকে দেখা যায়নি, যা সবার মনে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। তেহরানের ইমাম খোমেনী গ্র্যান্ড মুসাল্লায় অনুষ্ঠিত সেই বিশাল জানাজায় মোজতবার তিন ভাই মোস্তফা, মেসাম এবং মাসুদ খামেনিকে তাদের পিতা, বোন, ভগ্নিপতি, ভাইয়ের স্ত্রী এবং ১৪ মাস বয়সি এক নাতনির কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজার নেতৃত্ব দিতে দেখানো হয়েছিল।
আলী খামেনির জানাজার কারণে তেহরানসহ অন্যান্য প্রধান শহরের রাস্তাঘাট ও আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পশ্চিমাবিশ্বের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মধ্যে ইরানকে কঠোরভাবে নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতার শেষ বিদায়ে লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।
পিতার মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতা লাভ করার পরও মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসেননি। যুদ্ধ শুরুর দিকে আকস্মিক হামলায় তিনি আহত হয়েছিল, এবং তার পর থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ আড়ালে রেখেছেন।
এমতাবস্থায়, চলতি সপ্তাহে পিতার এই রাষ্ট্রীয় স্মরণসভায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে, ইরানের সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়ার পর এটি তার প্রথম আনুষ্ঠানিক এবং ঐতিহাসিক জনসমক্ষে উপস্থিতি হবে।
সূত্র: এনডিটিভি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন