প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিপিন্সে মৌসুমি ভারী বৃষ্টি এবং ঘূর্ণিঝড় লুইস ও মায়মায়ের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দেশের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল (এনডিআরআরএমসি) দ্বারা প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে ওঠার পাশাপাশি লুইস ও মায়মে নামে দুটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ফিলিপিন্সের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। ফলে ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে লুজন দ্বীপ এবং ভিসায়াসের কিছু এলাকায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদীর পানি উপচে পড়ায় অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বন্যার পানিতে বেশ কিছু সড়ক তলিয়ে যাওয়ার কারণে যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।
এনডিআরআরএমসি জানিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন জাতীয় সংস্থা ও স্থানীয় সরকার ইউনিটগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ এবং মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
বিভিন্ন প্রদেশে সড়ক, সেতু এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মানুষের জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বন্যাকবলিত কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ এবং পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। আবহাওয়ার অবস্থা পরিবর্তনশীল হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট দলগুলো কাজ করছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ কারণে নিচু এবং ভূমিধসপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারি ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন