প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মরক্কো থেকে সেউতায় আকস্মিক গণ-অনুপ্রবেশের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্পেন। তারা অনুপ্রবেশকারীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার, মাত্র দুই দিনের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করে সেউতায় ঢুকে পড়েছেন। স্পেনের এই স্বায়ত্তশাসিত ছিটমহলটি উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত এবং এটি আফ্রিকা থেকে ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার ও ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।
স্পেন সরকার জানিয়েছে, স্থল ও সমুদ্রপথে সীমান্ত পার হওয়া অনেকেই ইতোমধ্যে স্বেচ্ছায় মরক্কোতে ফিরে যেতে শুরু করেছেন। তবে এই বিশাল সীমান্তচাপ মানবিক বিপর্যয়েরও জন্ম দিয়েছে এবং এ পর্যন্ত অন্তত ৬৭ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি, মরক্কো সীমান্তবর্তি এলাকাগুলোতে আরও হতাহতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
স্পেন কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মরক্কো ও সেউতারের মধ্যবর্তী সীমানাপ্রাচীর ও উপকূল রক্ষা বাঁধ টপকানোর চেষ্টাকালে ডুবে এবং পিষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে প্রবেশ ঠেকানোর চেষ্টা করে। এতে সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং বাস ও কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পেনের সামরিক যান সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, খাবার ও আশ্রয়ের অভাবে বাধ্য হয়ে অনেক অভিবাসী নিজ থেকেই মরক্কোতে ফিরছেন।
মরক্কো থেকে স্পেনের ভূখণ্ড সেউতায় অভিবাসীদের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অনুপ্রবেশের পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব, বিচারিক একটি রায় এবং নিজ দেশে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট কাজ করছে। মরক্কোয় দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, দারিদ্র্য এবং ২৫ শতাংশের বেশি তরুণের বেকারত্ব মানুষকে দেশ ছাড়তে উৎসাহিত করছে। সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন