প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় আসামির সঙ্গে কথা বলা এবং সেই বক্তব্য প্রচার না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার আগে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু এ আবেদন করেন।
আদালতে তিনি বলেন, "আইন অনুযায়ী বিচারকের সামনে ছাড়া পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামির কথা বলার এখতিয়ার নেই।" তিনি আরো উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা অথবা দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার করা, সর্বোচ্চ আদালত এবং রাষ্ট্রীয় নীতিমালার আলোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা, জনমত প্রভাবিত হওয়া রোধ করা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এসব নির্দেশনা কার্যকর করা অত্যাবশ্যক।
তিনি আদালতে আবেদন করেন, ভবিষ্যতে যেন পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামিরা কারও সামনে বক্তব্য দিতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদালতকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য। পরে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এদিনের কার্যক্রমে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মধ্য দিয়ে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন। পরবর্তীতে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে ভিকটিমের বড় বোনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
আজ আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন মামলার আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন