প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় বাসটির চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারের বিরুদ্ধে নৌপুলিশের মামলা হওয়ার পর শনিবার (৬ জুন) তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হয়েছি যারা, তারা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর এলাকার বাসচালক মো. ঝন্টু আলী (৪৮), কুষ্টিয়ার সুগ্রীবপুর এলাকার সুপারভাইজার মো. আজমল হোসেন (৩৮) এবং আলামপুর এলাকার হেলপার শাকিব হোসেন (২২)।
বিষয়টি জানালেন গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনাটি ঘটে। ওই রাতেই দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা করেন।
ওসি সফিকুল জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে মেহেরপুরের গাংনী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিঘাটে পৌঁছায়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরিতে ওঠার আগে যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য চালককে নির্দেশ দেন নৌপুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নির্দেশনা মেনে যাত্রীরা বাস থেকে নামেন এবং পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যেতে থাকেন। এরপর কিছুক্ষণ পর চালক ঝন্টু আলী বাসটি স্টার্ট করে বেপরোয়া ও অবহেলামূলকভাবে চালাতে শুরু করেন। নির্ধারিত ফেরি 'বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর'-এ না তুলে বাসটি দ্রুতগতিতে পন্টুন অতিক্রম করে সেখানে অবস্থানরত 'করবী অক্সফ্যাম' ফেরিতে উঠে যায়। এরপর ফেরিটির শেষ প্রান্তের র্যাম্পে সজোরে ধাক্কা দিলে র্যাম্পের শিকল ও ছিটকিনি ছিঁড়ে গিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
ওসি সফিকুল আরো জানান, বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার কিছু আগে সুপারভাইজার ও হেলপার লাফ দিয়ে ফেরিতে নেমে যান। অন্যদিকে চালক সাঁতরে পন্টুনের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে নৌপুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন