প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আগামী ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম নগরীতে তিনটি মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন করা হবে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে নির্মিত পতেঙ্গা-ফৌজদারহাট আউটার রিং রোড, কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড এবং ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নয়টি র্যাম্প। এই তিনটি প্রকল্প চালু হলে যানজট ও মানুষের ভোগান্তি কমবে। বন্দরের সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কমবে এবং যাতায়াতে সময় সাশ্রয় হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এতে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
যানজট নিরসন এবং বন্দরের ওপর চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে নগরীর লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই উড়ালসড়ক চালু হলেও ওঠানামার র্যাম্পগুলো চালু না হওয়ায় নগরবাসী পুরোপুরি সুফল পাচ্ছেন না।
তবে আগামী ডিসেম্বরে এক্সপ্রেসওয়েটির নয়টি র্যাম্পই চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আটটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগ্রাবাদে অবস্থিত বাকি র্যাম্পটির নির্মাণকাজ আগামী নভেম্বরেই শেষ হবে।
শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিমুল জানিয়েছেন, কাজ শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী দিনরাত কাজ চলছে। আগ্রাবাদের র্যাম্পটির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই কাজ শেষ হবে।
যদি সব র্যাম্প একসঙ্গে চালু হয়, তবে যানজট কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে। বন্দর সড়কের ওপর যানবাহনের চাপও কমবে। প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, নয়টি র্যাম্পের মধ্যে আটটির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটির কাজ চলছে।
বন্দর ও নগরীর ওপর চাপ কমাতে শহরের পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত আউটার রিং রোড। ১৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে, নগরীর পূর্ব প্রান্তে জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড। প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি নতুন পর্যটনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। সড়কটি চালু হলে যাতায়াতে সময় কমবে এবং নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় সুবিধা বাড়বে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। এই সময় তিনি শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চাক্তাই-কালুরঘাট রিং রোড এবং ফৌজদারহাট-পতেঙ্গা রিং রোড উদ্বোধন করবেন। ডিসেম্বরের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে।
এদিকে, নগরবাসীর সুবিধার জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিদ্যমান নয়টি র্যাম্পের পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন